মুম্বাইয়ের এক যুবতী ট্যাক্সিতে একটি কিউআর কোড দেখতে পান। তিনি এটিকে পেমেন্টের কোড ভাবলেও, ড্রাইভার জানান যে এটি তাঁর র‍্যাপার ছেলের ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক। এই সৃজনশীল উদ্যোগের কথা ওই যুবতী সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

আজকাল সব জায়গাতেই ডিজিটাল পেমেন্টের চল। ট্যাক্সিতেও এখন প্রায়ই কিউআর কোড দেখা যায়। যাত্রা শেষ হলে, তাতে স্ক্যান করে টাকা দিলেই চলে। কিন্তু, না জেনে টাকা দিলেই পড়তে পারেন বিপদে। সদ্য মুম্বাইয়ের এক যুবতীর ট্যাক্সিতে দেখা একটি কিউআর কোড নিয়ে একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে। পরে তিনি সেই অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেন। ওই যুবতী বলেন যে, মুম্বাইয়ের এই সৃজনশীল সংস্কৃতির জন্য তিনি গর্বিত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ঘটনাটি সম্পর্কে ওই যুবতী জানান, তিনি একটি স্থানীয় কালো-হলুদ ট্যাক্সিতে ছিলেন। গাড়ির সামনের সিটে একটি কিউআর কোড রাখা ছিল, যা তিনি দেখতে পান। আর পাঁচজনের মতোই তিনিও ভাবেন যে ওটা পেমেন্টের কোড। কিউআর কোড দেখে বেশ ভালো লাগায়, তিনি ড্রাইভারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। তখনই ড্রাইভার বলেন যে, ওটা পেমেন্টের জন্য নয়, বরং তাঁর ছেলের ইউটিউব চ্যানেলের কোড। ড্রাইভার আরও জানান যে, চ্যানেলটিতে র‍্যাপ মিউজিক করা হয়।

দিব্যুষী সিনহা নামের ওই যুবতী এই পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। দিব্যুষীর মতে, এই আইডিয়াটা বেশ ভালো। তিনি কিউআর কোড এবং তার সাথে থাকা নোটটির ছবিও শেয়ার করেছেন। নোটে লেখা ছিল, 'হ্যালো, আমি রাজ, আমি এই ট্যাক্সি ড্রাইভারের ছেলে। স্ক্যান করুন, এটা আমার ইউটিউব চ্যানেল, যেখানে আমি র‍্যাপ মিউজিক শেয়ার করি। দয়া করে লাইক, শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করুন। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে, ধন্যবাদ।'

Scroll to load tweet…

যাইহোক, পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর নজর কেড়েছে। অনেকেই বলেছেন যে এটি একটি খুব সৃজনশীল আইডিয়া এবং বেশ ভালো।