বয়স মাত্র ১৬! আমাদের রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। এই কিশোর বয়সেই নজির গড়ে ফেলল সে। ভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতির ইতিহাস ও পৌরাণিক কাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে লিখে প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কারে সম্মানিত হল ওই কিশোর। সোমবার বাল পুরস্কারে সম্মানিত ৩২ জনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলাপচারিতা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে আলাপচারিতায়  কোভিড মহামারির মতো কঠিন সময়েই লড়াই করেও তাঁদের এই প্রাপ্তিকে অভিননন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন-বাংলার ভোটে বিরোধী নেতাদের সুরক্ষা দাবি, জনস্বার্থ মামলায় আবেদন খারিজ সর্বোচ্চ আদালতের

প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কারে সম্মানিত প্রত্যেকই আলাদা আলাদাভাবে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আমাদের বাংলার কিশোর সৌহার্দ্য দে। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ''মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ভারতীয় ইতিহাস ও পৌরাণিক কাহিনী নতুন আঙ্গিকের লেখক এই কিশোরের কথা ভাবুন। আমার এই কিশোর বন্ধু সৌহার্দ্য দে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। বাল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে সে। তাঁর মুকুটে আরও একটি পালক জুড়ল। তোমাকে শুভেচ্ছা জানাই। তুমি আরও অনেক তরুণ মনকে উৎসাহ দিতে পারবেন''।

 

 

আরও পড়ুন-ভোটের প্রাক্কালে নতুন করে উত্তাপ বাড়ছে নন্দীগ্রামে, রাজনৈতিক রূপ নিল গ্রাম্যবিবাদ

পশ্চিম মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর শিশু নিকেতনের ছাত্র সৌহার্দ্য। বাবা ইতিহাসের অধ্যাপক। এশিয়ানেট নিউজ বাংলার টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানাল সৌহার্দ্য। ''প্রথম বই প্রকাশ পেয়েছিল মাত্র তেরো বছর বয়সে। সন অফ সূর্যবংশ নামে ইংরেজি বই কবিতার আকারে লেখা প্রথম বই প্রকাশিত হয়েছিল। দেশ ও বিদেশে খুব পরিচিতি পেয়েছিল সেই বইটি। বাবা এবং মা আমার লেখার প্রতি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রচুর বই আছে। ছোট বেলা থেকে সেই বইগুলি পড়াশুনা করেছি''। ভবিষ্যতে সিভিস সার্ভিস অফিসার হতে চাই সৌহার্দ্য। দেশের হেরিটেজ এবং কালচারকে দেশ বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্ন রয়েছে তাঁর।এর জন্য তাঁকে সাহায্য করেছেন তাঁর বাবা-মা এবং স্কুলের শিক্ষকরা। এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে প্রতিক্রিয়ায় জানাল প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কার সম্মানিত সৌহার্দ্য দে।