আগামী ১৩-১৪ জুন সাংহাই কর্পোরেশনের সামিট। এই সামিটে যোগ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে থাকবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। কিন্তু গোল বেধেছে নরেন্দ্র মোদীর যাত্রাপথ নিয়ে।  আকাশপথে কাজাখাস্তানের বিস্কেকে যেতে হলে পাকিস্তানের যাওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই। এই ব্যাপারে পাকিস্তানের অনুমোদন নেওয়া ছাড়া কোনও উপায়ও নেই।

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইমরানের সরকার এই বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। মোদীর উড়ান পাকিস্তানের ওপর দিয়ে গিয়েই বিস্কেক পৌঁছবে। পাকিস্তানের আশা, এই সিদ্ধান্তের পরে শান্তি আলোচনায় সম্মত হবে ভারত। 

এক পাক অধিকর্তা সংবাদ সমস্থাকে জানিয়েছেন, "ভারত সরকারকে  লিখিত ভাবে জানানো হবে সমস্ত নিয়মানুগ কাজ  হওয়ার পরে। ইতিমধ্যেজ জানানো হয়েছে সিভিস অ্যাভিয়েশন অথারিটিকে জ়ানানো হয়েছে সমস্ত এয়ারম্যানকে এই মর্মে লিখিত নোটিশ দিতে।"

পুলওয়ামার বদলাস্বরূপ বালাকোটের জঙ্গিঘাঁটিতে ভারত আক্রমণ করার পরেই 
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান নির্দেশিকা জারি করে  ১১ টি বিমানপথ বন্ধ করে দেয় ভারতের জন্য। দক্ষিণ পাকিস্তানের মাত্র দু'টি পথ দিয়ে চলছিল ভারতীয় বিমান।  গত ২১ মে সুষমা স্বরাজের জন্যেও খুলে দেওয়া হয় পাক আকাশ। ৩১ মে বানিজ্যিক ব্যবহারের জন্যে পাকিস্তানের ১১ টি বিমানপথও খুলে দেওয়া হয়। ৪ জুন ১৪৬০০ কেজি বোঝাই ১৮০ জন যাত্রীসমেত ইন্ডিগো এয়ারবাস  এ৩২০ পাকিস্তানের আকাশ থেকে  সফলভাবে ভারতে অবতরণ করে। 

ইতিমধ্যেই এই সাংহাই কর্পোরেশন সামিটের কারণে পাক প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের দারস্থ হয় ভারত। পাকিস্তানও ভারতকে শান্তি আলোচনার জন্য চিঠি  পাঠিয়েছে।  এই সৌজন্যে কি পুলওয়ামার ঘা শুকোবে, ভারত কি শান্তির কথা বলবে? সময় বলবে।