পঞ্জাবের মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করলেন নভজ্যোৎ সিং সিধু। আজ সকালেই টুইট করে নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। সংবাদ সংস্থার তরফ থেকে প্রকাশ  করা হয়েছে তাঁর পদত্যাগের চিঠিও। 

প্রসঙ্গত, এর আগেও মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণের সময়ে তাঁকে আগের দফতর থেকে সরিয়ে এনে অন্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই দায়িত্ব তিনি সঠিকভাবে পালন করেননি বলে অভিযোগ। বলা হয়েছিল, তিনি মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেও কোনওরকম দায়িত্ব নেননি তিনি। উল্টে মন্ত্রী হিসাবে সম্পুর্ণ বেতন ও ভাতা নিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এর আগে মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণের সময়ে তাঁকে পর্যটন এবং সংষ্কৃতি বিষয়ক দফতর থেকে সরিয়ে এনে তার পরিবর্তে তাঁকে পাওয়ার অ্যান্ড নিউ অ্যান্ড রিনিউয়েবেল এনার্জি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যার দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করেন নি। 

এদিন তিনি টুইট করে লেখেন, গত ১০ জুন তারিখে তিনি রাহুল গান্ধীর কাছে নিজের ইস্তফা দিয়েছিলেন। আর সেই মতোই দলের সেইসময়ের সভাপতির তরফ থেকে এর উত্তর আশা করেছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে প্রধান কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং-এর মন্ত্রীসভার সঙ্গে বনিবনা না হওয়া। কারই গত ২৩মে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং মন্ততব্য করেছিলেন যে, নভজ্যোৎ সিং সিধু নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেননি বলেই পঞ্জাবের গ্রামীণ এলাকায় কংগ্রেসের ফল খারাপ হয়েছে। 

শুধু তাই নয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিতর্ক ছিল তাঁর চির সঙ্গী। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে একপ্রস্থ কাটা-ছেঁড়া করা হয়েছিল তাঁকে নিয়ে। এরপর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানকে নিরীহ বলে মন্তব্য করেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে নেট দুনিয়া। এরপর একটি জনপ্রিয়  টেলিভিশন শো-থেকেও বাদ দেওয়া হয় তাঁকে। আর এবার নিজের মন্ত্রীত্ব ত্যাগ করলেন নভজ্যোৎ সিং সিধু।