পাশে থাকার বার্তা দিলেন শরদ পাওয়ার। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মমতা ডাকলে তিনি আছেন। চিঠি দিয়ে সেই কথা দিদিকে জানালেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, দেশের গণতন্ত্র বাঁচানোর জন্য তাঁকে ডাকলেই পাবেন তৃণমূল নেত্রী। এ বিষয়ে পরিকল্পনা করে যেন তাঁকে জানানো হয়।

সম্প্রতি এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে অবিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখেছিলেন দিদি। চিঠি গিয়েছিল এনসিপি প্রধান পাওয়ারের কাছেও। সোমবার সেই চিঠির জবাব দেন শরদ গোবিন্দ পাওয়ার। তিনি বলেন, দেশের এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যে কোনও আন্দোলনে আমি থাকতে পারলে খুশি হব। দেশের গণতন্ত্রকে আমাদের রক্ষা করতে আমায় পাশে পাবেন। এই বিষয়ে কোনও আন্দোলন-কর্মসূচি থাকলে জানাবেন। আমি থাকব।

তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতায় সর্বভারতীয় রাজনীতিতে নিজেকে তুলে ধরেন মমতা। লোকসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে গিয়ে বিরোধী দলগুলিকে একত্রিত করার চেষ্টা চালান।  ব্রিগেডে ইউনাইটেড ইন্ডিয়া সমাবেশে অখিলেশ যাদব থেকে এম কে স্ট্যালিন, তেজস্বী যাদব থেকে চন্দ্রবাবু নায়ডু, ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লাদের নিয়ে হাতে হাত ধরে স্লোগান তুলেছিলেন বিজেপির বিরুদ্ধে। কিন্তু লোকসভা ভোটে বিপুল আসনে জয়ী হয়ে ফের সরকার গড়েন নরেন্দ্র মোদী। ফলে ভেঙে ছাড়খাড় হয়ে যায় ফেডারাল ফ্রন্টের স্বপ্ন।

বিগত কিছুদিন ধরে এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরগরম হয়েছে দেশ। রাজ্য়েও সিএএ আইনের লাগাতার  পথে নেমেছেন মমতা। এবার রাজ্য় ছাড়িয়ে এই আন্দোলনকে দিল্লিতে একত্রিত করতে চান মমতা। সেকারণে আগেভাগেই মোদী বিরোধী নেতাদের এক ছাতার তলায় আনার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেত্রী।