কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করোনাভাইরাস রোগীর সন্ধান মিলেছে ২৪,৮৭৯ জন। যার ফলে বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭,৬৭,২৯৬-এ। এরমধ্যে সক্রিয় মামলার সংখ্যা ২,৯৯,৭৮৯ টি। আর ৪.৭ লক্ষেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৪ জনের। যার ফলে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২১,১২৯-এ।

সম্প্রতি মার্কিন য়ুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটি ভারতে কোভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ নিয়ে একটি গবেষণাধর্মী পূর্বাভাস দিয়েছে। তারা যা বলছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাদের অনুমান, কোভিড -১৯ এর কোনও টিকা বা নিরাময়ক ওষুধ বের করতে না পারলে ২০২১ সালের শীতের শেষে ভারতে প্রতিদিন ২.৮৭ লক্ষ করে করোনাভাইরাস রোগীর সংখ্যা বাড়বে।

গবেষকরা অবশ্য এটাও বলছেন, যে এই সংখ্যা কোনও সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী নয়, বরং সম্ভাব্য ঝুঁকির সূচক হিসাবে একে দেখা উচিত। তবে ভারতে প্রতিদিন যেভাবে কোভিড রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে, তাতে তাদের অনুমান খুব ভুল হবে বলে মনে হচ্ছে না। একটাই ভরসা আইসিএমআর ১৫ অগাস্টের মধ্যে করোনাভাইরাস টিকার তৈরির সময় বেঁধে দিয়েছে। তারমধ্যে যদি নাও হয়, তার কাছাকাছি সময়েই বাজারে আসতে পারে করোনার টিকা।

এমআইটির সর্বশেষ গবেষণা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও, এদিনও তারা দাবি করেছে, ভারতে সুস্থ হয়ে ওছঠার হার ৬১.৫ শতাংশেরও বেশিতে উন্নীত হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, মৃত্যুর হার হ্রাস করার প্রচেষ্টায় সরকারি হাসপাতালগুলির আইসিইউ ওয়ার্ডের চিকিত্সকদের কোভিড -১৯ চিকিৎসার বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ ও জ্ঞানগত সহায়তা দেওয়ার জন্য দিল্লির এইমস হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারা কোভিড ওয়ার্ড পরিচানার বিয়ে ডাক্তারদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।