প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (অর্থপাচার বিরোধী আইন) বা  বা পিএমএলএ আইনে, সোমবার আদালত পলাতক ব্যবসায়ী নীরব মোদীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিল। এতে এই পলাতক হিরক ব্যবসায়ীর প্রায় ১,৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মুম্বইয়ে এক বিশেষ পিএমএলএ আদালত তাকে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী হিসাবে ঘোষণা করেছিল। এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি) এবং আয়কর (আইটি) বিভাগ তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আগে নীরব মোদীকে আইনী পরামর্শ নেওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

নীরব মোদীর বিরুদ্ধে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১৩,৫৭০ কোটি টাকা জালিয়াতি করার অভিযোগ রয়েছে। বহু সংখ্যক ভুয়ো সংস্থার লেটার অব আন্ডারটেকিং (এলওইউ) দেখিয়ে এই জালিয়াতি করা হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্রের প্রধান লাভের গুড়টা নীরব মোদীই খেয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০১৮ সালের ১৯ মার্চ তাকে গ্রেফতার করেছিল ব্রিটিশ পুলিশ। তারপর থেকে সে আছে ১৯ ওয়ান্ডসওয়ার্থ কারাগারে।

গত ১৪ মে, লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার ম্যাজিস্ট্রেটস আদালতের বিচারক নীরব মোদীর প্রত্যর্পণের মামলাটি ২০২০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে দিয়েছেন। করোনভাইরাস মহামারির কারণে ওই দিন নীরব মোদী জেল থেকেই ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে তাকে ভারতীয় হেফাজতে নেওয়ার মামলাটির শুনানিও পিছিয়ে গিয়েছে। কারণ সম্প্রতি নীরব মোদীর বিরুদ্ধে ভারত সরকার প্রমাণ হিসাবে আরও কিছু দলিল পেশ করেছে। এই শুনানি ফের হবে ১১ জুন।