Asianet News Bangla

ভাঙল দাদু কালুরাম-এর রেকর্ড, নির্ভয়াকে ন্যায়বিচার দিয়ে কী বলছেন পবন জল্লাদ

ন্যায়বিচার পেলেন নির্ভয়া

একইসঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়লেন পবন জল্লাদ

ভাঙলেন তাঁর দাদু কালুরাম-এর রেকর্ড

ফাঁসির পর কী বললেন তিনি

 

Nirbhaya case, Pawan hangman broke his grandfather's record by hanging all the four convicts
Author
Kolkata, First Published Mar 20, 2020, 9:35 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

দীর্ঘ সাত বছরের টাললবাহানার পর অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছেন নির্ভয়া। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫ টায় এই গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার আসামিকে দিল্লির তিহার জেলে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল অফিসার চারজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। দেহ চলে এসেছে ময়নাতদন্তের জন্য। এদিকে এই চারজনকে একসঙ্গে ফাঁসি দিয়ে মেরঠের ফাঁসুড়ে পবন জল্লাদ তার দাদু কালুরাম-এর রেকর্ড ভেঙেছেন।

আরও পড়ুন - পৈশাচিক অত্যাচারের একমাত্র সাক্ষী, কেমন আছেন নির্ভয়ার সেই পুরুষ বন্ধু

পবন জল্লাদরা চার প্রজন্ম ধরে ফাঁসুড়ের কাজ করেন। পবন-এর দাদুর বাবা লক্ষ্মণরাম-এর থেকেই তাঁদের পরিবারে ফাঁসি দেওয়া শুরু হয়েছিল। তিনি ইংরেজ আমলের ফাঁসুড়ে ছিলেন। তবে তাঁদের পরিবারে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আসামিকে ফাঁসি দেওয়ার রেকর্ড এতদিন ছিল পবনের দাদু কালুরাম-এর দখলে। তিনি একসঙ্গে দুজন আসামিকে ফাঁসি দিয়েছিলেন। সেখানে পবন আরও দুই কদম এগিয়ে এদিন চারজন সাজাপ্রাপ্তকে একসঙ্গে ফাঁসি দিয়েছেন।  

দিল্লির জেসুস মেরি কলেজের শিক্ষার্থী গীতা চৌপরা এবং তার ভাই সঞ্জয় চোপরাকে হত্যা করা কুখ্যাত অপরাধী রাঙ্গা-বিল্লা'কে ফাঁসি দিয়েছিলেন লক্ষ্মণরাম-এর ছেলে কালুরাম। তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকারী সত্বন্ত সিং এবং ষড়যন্ত্রকারী কেহর সিং-কেও ফাঁসি দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন - ফাঁসির আগের রাতে কেঁদে ভাসাল চার নরপিশাচ, শোনানো হল গীতা

কালুরাম পরে এই কাজের ধারা বহন করেন তাঁর পুত্র তথা পবন-এর বাবা মামু সিং। মামু শেষবারের মতো ১৯৯৭ সালে জবলপুরের কান্তপ্রসাদ তিওয়ারি-কে ফাঁসি দিয়েছিল। মামু-র মৃত্যুর আগেই দাদু কালুরাম তাঁর নাতি পবন-কে ফাঁসুড়ে হিসাবে তৈরি করেছিলেন। ৫৮ বছরের পবন জানিয়েছেন, ১৯৮৮ সালে তিনি প্রথম আগ্রা কারাগারে গিয়েছিলেন। ওই সময় সেখানে তাঁর দাদু ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত জুম্মান নামে এক অপরাধীকে ফাঁসি দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন - 'এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে', নির্ভয়াকে প্রথম দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন ডাক্তারও

এদিনের ফাঁসির পরে, পবন জানিয়েছেন, প্রথমবারের মতো চার আসামিকে একসঙ্গে ফাঁসি দিয়ে তিনি খুশি। এদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তিনি ঈশ্বর ও তিহার জেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios