আজ দ্বিতীয় মোদী সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এদিন বেলা দশটার সময়েই সংসদে পৌঁছে গিয়েছেন নির্মলা সীতারামন। শুরুও হল বাজেট পাঠ। প্রথমেই দেখা যাক আপামর ভারত কী চাইছে এই বাজেট থেকে-

যুবসমাজের দাবিঃ সরকারি হোক বা বেসরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো বাড়ানোর জন্যে খরচ বাড়ুক। সরকারের শিক্ষানীতি বদলাক, শিক্ষা হোক হাতেকলমে।

চাকরীজীবীদের দাবিঃ দুই লক্ষ টাকার বেশি হোক করের উর্ধ্বসীমা। আয়করেরর পরিকাঠামো বদল হোক। অনেকেই চাইছে কর ছাড়ের উর্ধ্বসীমা কমুক। একই সঙ্গে বলা হচ্ছে, উচ্চ আয়কাঠামোয় রয়েছে যারা, তাদের থেকে যেন আরও বেশি সুনিশ্চিত করা যায় কর।

মধ্যবিত্তের দাবিঃ গৃহঋণের আরও সুযোগসুবিধা বাড়ুক। গ্যাসের ভর্তুকি বাড়াক সরকার।

চাকরীপ্রার্থীদের দাবিঃ স্টার্টআপ বাড়াক সরকার। একই সঙ্গে বাড়ুক চাকরির সুযোগ।

ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের দাবিঃ কর্পোরেট ট্যাক্স কমাক সরকার, এটাই চাইছে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র।

বলাই বাহু্ল্য এবারের বাজেট নির্মলা সীতারামনের কাছে বিরাট চ্যালেঞ্জ। কেননা  দেশের বৃদ্ধি ৬.৮ তে নেমে গিয়েছে। বেকারত্বেও রেকর্ড গড়েছে দেশ। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বাজেটের শুরুতেই চাণক্য নীতিতে ভরসা রাখার কথা বললেন নির্মলা সীতারামন। 

আরও পড়ুনঃ বাজেটের নথি হাতে অর্থমন্ত্রকে প্রবেশ করলেন নির্মলা সীতারামণ

প্রথমেই অর্থমন্ত্রী দেখালেন দেশের উন্নতির লক্ষণগুলি। তিনি দেখাচ্ছেন, খাদ্য নিরাপত্তার ওপরে খরচ দ্বিগুণ হয়েছে।  পেটেন্টের সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে।এই অবস্থায়  দেশের জন্যে মজবুত নাগরিক তৈরি করার লক্ষ্যে এগোতে চাইছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি স্মরণ করছেন,চাণক্য নীতি সূত্র বলে একমুখী চেষ্টায় সাফল্য আসবেই।

অর্থমন্ত্রীর প্রত্যয়,  আমরা কয়েক বছরে পাঁচ ট্রিলিয়ন ইইএস ডলারে পৌঁছতে পারব। অর্থমন্ত্রী মনে করালেন, কেনাবেচার নিরিখে আমরা পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। আমরা অসংখ্য বড় সংস্কার আনতে পেরেছি। এখন দেখার এই উড়ানকে বাস্তবায়ন করার জন্যে কী করতে পারেন অর্থমন্ত্রী।