মহারাষ্ট্রে শনিবার ভালো করে ঘুম ভাঙার আগেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তাও আগে ভোর ৫.৪৭ মিনিটে তোলা হয়েছিল রাষ্ট্রপতি শাসন। দেবেন্দ্র ফড়নবিশ শপথ নেওয়ার একঘন্টা পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ বিজেপি নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেন। এই ঘটনাগুলি প্রায় পলক ফেলার আগেই ঘটে গেলেও বিরোধী জোটের দাবি মতো আস্থাভোটের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনওরকম তাড়াহুড়ো দেখা গেল না। বরং সুপ্রিম কোর্ট বিজেপি অজিত পওয়ার-কে শ্বাস নেওয়ার জন্য অন্তত ২৪ ঘন্টা সময় দিলেন বলা যেতে পারে।

এদিন মহারাষ্ট্রে রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারির, দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে মুখ্য়মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে শিবসেনা এনসিপি ও কংগ্রেস। তাদের আবেদন মতো এদিন জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি এনভি রামানা, অশোক ভূষণ ও সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চে।

আদালত, সলিসিটর জেনারেল তুষাড় মেহতাকে সোমবার সকালের মধ্যে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপালের বিজেপিকে সরকার গঠনের অমন্ত্রণপত্র ও দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সরকার গঠন করার দাবিপত্র আদালতে পেশ করা নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত ২৮৮-সদস্যের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় নবগঠিত সরকারের যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ চেয়েছে, শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেস, সেই নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারকে একটি নোটিশ দিয়েছে। এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নাভিশ ও উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকেও।

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ বিজেপি এবং অজিত পওয়ারের হাতে যথেষ্ট সমর্থন সংগ্রহ করার জন্য অন্তত ২৪ ঘন্টা সময় আছে।