শুক্রবার সেনাবাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে, গোয়েন্দা দফতর সূত্রে খবর রয়েছে অমরনাথ যাত্রাপথে নাশকতার ছক কষছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা। আর সেই কারণেই অমরনাথ যাত্রা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় ভারতীয় সেনা, আর তারপরই তীর্থযাত্রী -সহ সমস্ত পর্যটকদের সেখান থেকে ফিরে আসার নির্দেশ দেয় জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। আর এরপরই কাশ্মীরের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ফিরে আসার পরই কাশ্মীরে প্রায় ১০,০০০ সেনা মোতায়েন করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্র, পরে ফের ২৫,০০০ আরও আধা সামরিক সেনা মোতায়েন করা হয়। আর এরপরই প্রশ্ন উঠেছে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এই বিপুল পরিমাণ সেনা কাশ্মীরে মোতায়েন করছে কেন্দ্র। আর সেইকারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাবদিহি চায় বিরোধীরা।

 

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতির পর শনিবার একই সুরে সুর মেলালেন আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লাহ। রাজ্যপাল  সত্যপাল মালিকের সঙ্গে এদিন সাক্ষাত করে তিনি জানান, রাজ্যপাল তাঁদের আশ্বাস দিয়েছেন, উপত্যকায় সেনা মোতায়েনের সঙ্গে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বা ৩৫এ ধারার কোনও সম্পর্ক নেই। তবে এই বিষয়ে সংসদে কেন্দ্রের বিবৃতি দাবি করছেন তিনি। 

 

পাশাপাশি কংগ্রেসের তরফে ডাকা একটি সাংবাদিক বৈঠকেও কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন গুলাম নবি আজাদ, পি চিদম্বরম, আনন্দ শর্মা এবং অম্বিকা সোনির মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতারা। সাংবাদিক বৈঠকে এসে গুলাম নবি আজাদ বলেন, এরকম আগে কখনও হয়নি যখন পর্যটকদের উপত্যকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে এই নির্দেশে কার্যত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কাশ্মীর ও লাদাখের মানুষরা। তাই এই প্রসঙ্গে অবিলম্বে কেন্দ্রের বিবৃতি দাবি করছেন তাঁরা।