প্রাক্তন ডিজিপি বৈদের কথায় কাশ্মীরে বর্তমানে পাথর ছোঁড়া বন্ধ হয়ে গেছে। আর সেই জায়গায় অশান্তি হচ্ছে জম্মুতে। কাশ্মীরের তুলয়া জম্মুতে যোগাযোগ অনেক কম। তাই বাহিনী পৌঁছাতেও বেশি সময় লাগে। 

সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় জঙ্গি হামলায় একজন কমিশনড অফিসার হয় সেনা বাহিনীর পাঁচ সদস্য শহিদ হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি এসপি বৈদ বলছেন। তিনি গোটা ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে বলেছেন, কাঠুটা একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা। কিন্তু পাকিস্তান কাশ্মীরে উত্তেজনা না ছড়িয়ে এখন টার্গেট করেছে জম্মুকে। তিনি আরও বলেছেন, জঙ্গি দ্রুত গোষ্ঠীকে নির্মূল করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেছেন, বহু বছর পরে জম্মুতে এজাতীয় ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রাক্তন ডিজিপি আরও বলেছেন, বর্তমানে জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। রাজনীতিবিদদের বক্তব্যও পালটাচ্ছে। তিনি বলেছেন, বর্তমানে ফারুক আবদুল্লাহ জঙ্গি হামলার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেছেন। তিনি উপত্যকায় শান্তির জন্য প্রচার করছে। প্রাক্তন ডিজিপির কথায় গত দুই- তিন বছরে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জম্মুকে টার্গেট করা হচ্ছে।

'শিশুর মৃত্যু বড়ই কষ্টকর', ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর স্পষ্ট বার্তা রাশির প্রধান পুতিনকে

প্রাক্তন ডিজিপি বৈদের কথায় কাশ্মীরে বর্তমানে পাথর ছোঁড়া বন্ধ হয়ে গেছে। আর সেই জায়গায় অশান্তি হচ্ছে জম্মুতে। কাশ্মীরের তুলয়া জম্মুতে যোগাযোগ অনেক কম। তাই বাহিনী পৌঁছাতেও বেশি সময় লাগে। তিনি আরও বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। এই কথা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তান এমন কাজ করছে। তিনি আরও বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদ বাড়ছে। গত কয়েক দিনে অনেক ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে রাজৌরি ও পুঞ্চকে টার্গেট করা হয়েছে। প্রায় ৪০ জন সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছিল। তারপরই পাকিস্তান টার্গেট করে শিবখোড়ে, ডোডো, কাঠুয়া, হীরানগর, বিল্লাওয়ার মাচেডির মত তীর্থস্থানগুলিকে। তিনি আরও বলেন সমস্ত জঙ্গিও বিদেশী। উপত্যকায় কোনও জঙ্গি নেই। যারা সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করেছে তাদের দ্রুত বের করে দেওয়া দরকার।

ভারতের হাতে এবার রাশিয়ার 'ম্যাঙ্গো', রণভূমিতে চিন আর পাকিস্তানের ট্যাঙ্ক উড়বে এভাবেই

প্রাক্তন পুলিশ কর্তা আরও বলেছেন, সেনা ও বিএসএফ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করা উচিত। সন্ত্রাসীরা টানেল দিয়ে আসছে বা ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ করছে। নিরাপত্তা সংস্থাকে এই সব বিষয়ে আরও সজাগ থাকতে হবে। যারা ভিতরে বসে জঙ্গিদের সাহায্য করছে তাদের ওপর নজরদারি চালাতে হবে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের ওপর ভীতি তৈরি করতে মরিয়া চেষ্টা করছে পাকিস্তান। পাশাপাশি তীর্থযাত্রীদের মধ্যেও ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করতে চায়। তাই নিরাপত্তাবাহিনীকে আরও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ধর্ম নিয়ে রাহুল বিরোধী পোস্টারের মধ্যেই রায়বরেলিতে কংগ্রেস নেতা, পুজো দিলেন হনুমান মন্দিরে