২৪ ফেব্রুয়ারী আহমেদাবাদ-এ 'নমস্তে ট্রাম্প'। মার্কিন প্রেসিডেন্ট উপস্থিত হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্তর নিয়ে প্লেন আসা শুরু হয়ে গেল। সোমবার আহমেদাবাদ বিমানবন্দরে নামল ট্রাম্পের বিমানবহরের প্রথম মালবাহী বিমান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বিস্ট নামক নিরাপত্তায় মোড়া গাড়িটিতে চড়েন সেটিও এই বিমানেই আনা হল। বিমানবন্দর থেকে সবরমতী আশ্রম পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ রোডশো চলাকালীন ট্রাম্পের সঙ্গে এই গাড়িগুলি থাকবে।
 
শুধু নিরাপত্তা সংক্রান্ত গাড়িই নয়, বিমানটিতে বেশ কিছু নিরাপত্তা সরঞ্জাম-ও নিয়ে আসা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর আগামী কয়েকদিনে এই জাতীয় আরও বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী বিমান আহমেদাবাদে নামবে। কোনওটিতে থাকবে যানবাহন, কোনওটিতে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ আবার কোনওটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অন্যান্য সাজ-সরঞ্জাম আসবে। জানা গিয়েছে ট্রাম্পের সফরের আগে আরও চারটি মালবাহী বিমানের আহমেদাবাদে আসা নিশ্চিত। এছাড়া ২৪ তারিখ আরএ তিনটি বিমান আসবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এয়ারফোর্স ওয়ান-এর সঙ্গে। এর মধ্যে দুটি মালবাহী এবং একটি যাত্রীবাহী বিমান।

আরও জানা গিয়েছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস-এর এজেন্টরা ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদে এসে গিয়েছেন। বিভিন্ন হোটেলে ঘাঁটি গেড়ে তারা নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। মোতেরা স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও এরমধ্যে দেখা হয়ে গিয়েছে। আপাতত আয়োজক এবং নিরাপত্তাকর্মীদের ছাড়া আর কাউকে এই স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এই ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টদের উপরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরক্ষাবলয়ের অভ্যন্তরীণ স্তরের দায়িত্ব থাকবে। দ্বিতীয় স্তরের দায়িত্ব ভারতের জাতীয় সুরক্ষা বাহিনী বা এনএসজি-র। আর তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করার ভার থাকবে ভারতের এলিট কমান্ডো ফোর্স 'চেতক'-এর হাতে।

আহমেদাবাদে অবশ্য খুব বেশিক্ষণ থাকবেন না ট্রাম্প। মনে করা হচ্ছে খুব বেশি হলে আড়াই ঘন্টা গুজরাতের এই শহরে কাটিয়ে তিনি দিল্লি ও আগ্রায় চলে যাবেনয সেখানে তাজমহল দেখার কথা রয়েছে। আহমেদাবাদে রোড শো করে স্ত্রী মেলানিয়াকে নিয়ে তিনি সবরমতী আশ্রমে যাবেন। এছাড়া মোতেড়া স্টেডিয়ামে 'নমস্তে ট্রাম্প' অনুষ্ঠানে তিনি ও নরেন্দ্র মোদী ভাষণ দেবেন।