কুপওয়ারায় শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দুপুরেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়া শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন ভারতীয় জওয়ান ও নিরাপত্তা রক্ষীদের বীরত্ব আর ত্যাগ কখনই ভুলবে না দেশের মানুষ। তাঁরা অত্যান্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের মানুষের সেবার কাজে ব্রতী ছিলেন। দেশের নাগরিকদের রক্ষায় তাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। নিহতদের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

জম্মু ও কাশ্মীরের হান্দোয়ারায় নিহত জওয়ারদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে শহিদ হওয়া দেশের সৈন্য ও নিরাপত্তা রক্ষীদের প্রানাম জানিয়েছেন অমিত শাহ। তাঁদের ত্যাগের কথা দেশ সবসময় মনে রাখবে। তাঁদের শোকস্তব্ধ পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন অমিত শাহ। 

রবিরার সকালে তিন বাহিনীর উদ্যোগেই দেশের করোনা যোদ্ধাদের অভিবাদন জানান হয়েছিল। সেই সময়ই জম্মু আর কাশ্মীর থেকেই আসে দুঃসংবাদ। কুপওয়ারার হান্দোয়ারায় এনকাউন্টারে শহিদ হয়েছেন ভারতীয় চার জওয়ান ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর। 

শহিদের তালিকায় রয়েছেন  ২১ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলের সদস্য কর্নেল আশুতোষ  শর্মা, মেজর অনুজ সুদ, জওয়ান নায়েক রাজেশ ও  ল্যান্স লায়েক দীনেশ। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে জম্মু কাশ্মীর পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর সাকিল কাজির। 

 জম্মু কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমাটার দূরে হান্দোয়ারা। এই এলাকায় এনকাউন্টারে এখনও পর্যন্ত দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানান হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। গোটা এলাকাই ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। দফায় দফায় চলছে তল্লাশি। 

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চাপিমুল্লার একটি বাড়িতে হানাদেয় জঙ্গিরা। বাড়ির বাসিন্দাদের পণবন্দি করার উদ্যোগ নেয়। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়েই সেনা ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এলাকাদের বাসিন্দাদের বাঁচাতে  উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে এই এনকাউন্টারে ক্ষতি হয়নি কোনও সাধারণ নাগরিকের।