দুই দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক শক্তি এবং খাদ্য বাজারের অবস্থা সহ বিশ্বব্যাপী সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রের খবর। 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি আজ রাশিয়াj রাষ্ট্রপতি মহামান্য ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুই নেতা ডিসেম্বর ২০২১ সালে রাষ্ট্রপতি পুতিনের ভারত সফরের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেছেন। বিশেষ করে, তারা কীভাবে কৃষি পণ্য, সার এবং ফার্মা পণ্যগুলিতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরও উত্সাহিত করা যেতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা বিনিময় করেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দুই দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক শক্তি এবং খাদ্য বাজারের অবস্থা সহ বিশ্বব্যাপী সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রের খবর। পাশাপাশি ইউক্রেনের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা ও কূটনীতির পক্ষে ভারতের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সূত্রের খবর আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। যুদ্ধ নিয়ে রীতিমত অনড় পুতিন। 

নেতৃবৃন্দ বৈশ্বিক ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জি৭ বৈঠকে যোগ দিয়ে জার্মানি থেকে ফিরেছেন। সেখানে যদিও যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার বিরোধী মনোভাবই পোষণ করেছিল বিশ্বের প্রথম সারির অর্থনীতির দেশগুলি। যুদ্ধে রাশিয়ার পাশে থাকবে না- এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ভারত প্রথম থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু ভারত যে যুদ্ধের পক্ষ নয় তাও বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে যে খাবারের ঘাটতি দেখা দেবে বলে রাষ্ট্র সংঘ আশঙ্কা করছে সেই পরিস্থিতি কী করে মোকাবিলা করা হবে তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। 

মোদী জার্মানি সফরে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন ভারতের বাসিন্দাদের মানসিকতা অনেকটা বদলে গেছে। বর্তমান ভারতের মানসিকতা হল নির্ধারিত সময়ে কোনও কাজ করতে হবে। যে কোনও কাজ করার বিষয়ে তৎপর। প্রগতি আর বিকাশের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। নিজের স্বপ্ন সার্থক করতে রীতিমত উদ্যোগী ভারত। বর্তমান ভারত নিজের সামর্থ আর নিজের ওপর ভরসা করতে। আর সেই কারণেই ভারত পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করছে। কোভিড ভ্যাকসিনের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।