এনসিপি-র সিনিয়র নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল, ছগন ভুজবল, ধনঞ্জয় মুন্ডে এবং সুনীল তাতকরে বৈঠক করেছে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে। সম্ভবত, সুনেত্রা পাওয়ার অজিত পাওয়ারের শূন্য আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পরে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এখন এনসিপি মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারের নাম প্রস্তাব করতে পারে। সুনেত্রা পাওয়ার বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ। এনসিপি-র সিনিয়র নেতা এবং মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন যে জনগণ সুনেত্রা পাওয়ারকে রাজ্য মন্ত্রিসভায় আনতে চায়।
সূত্র অনুসারে, এনসিপি-র সিনিয়র নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল, ছগন ভুজবল, ধনঞ্জয় মুন্ডে এবং সুনীল তাতকরে বৈঠক করেছে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে। সম্ভবত, সুনেত্রা পাওয়ার অজিত পাওয়ারের শূন্য আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রস্তাবে সুনেত্রা পাওয়ারকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রস্তাব এবং ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করার জন্য এনসিপি নেতারা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গেও দেখা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র আরও জানিয়েছে যে দলের কার্যকরী সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল দল হিসেবে এনসিপি পরিচালনার নেতৃত্ব নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন। শরদ পাওয়ারের এনসিপি (এসপি)-এর এনসিপি-র মিশে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সুনেত্রা পাওয়ার কে?
সুনেত্রা পাওয়ার অজিত পাওয়ারের স্ত্রী। তাঁর ১৯৬৩ সালের ১৮ অক্টোবর। তিনি বর্তমানে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির রাজ্যসভার সংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংসদ হওয়ার আগে সুনেত্রা পাওয়ার নানা সামাজিক কাজ করতেন। বিশেষ করে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক উদ্যোগ। তিনি এনভায়োরমেন্টাল ফোরাম অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন, যা জল সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ উন্নয়নের উপর কাজ করে। সুনেত্রা পাওয়ার সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেছেন, এনসিপি প্রার্থী হিসেবে বারামতী লোকসভা আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সুনেত্রা এবং অজিত পাওয়ারের দুই পুত্র, জয় পাওয়ার এবং পার্থ পাওয়ার, উভয়ই ব্যবসায়িক এবং জনজীবনে সক্রিয়।


