নিজের স্বামীকে  খুন করে রান্নাঘরে পুঁতে রেখেছিল। সেখানেই একমাস ধরে রান্না করলেন স্ত্রী।  পরে পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হয় স্বামীর মৃতদেহ। পুলিশি জেরায় সব কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ মধ্য প্রদেশের ৩২ বছেরর মহিলাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে। 

মধ্যপ্রদেশের কারোন্দি গ্রামের বাড়ি থেকে ২২ অক্টোবর মহেশ বানোওয়াল নামের ওই ব্যক্তি নিখোঁজ হন। তাঁর স্ত্রী প্রমিলা  থানায় নিখোঁজের একটা ডায়েরি লেখেন। পুলিশ তদন্তে নেমেও কোনও খবর পায় না। অন্য দিকে মহেশের ভাইয়ের ক্রমাগত সন্দেহ হয় প্রমিলার ওপর। তাঁর ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি যতবার মহেশের বাড়িতে যেতে গেছেন, তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বার বার নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে বাড়ির সামনে থেকে বের করে দেওয়া হয়।  একবার মহেশের  ভাইকে স্ত্রী নানা রকম অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। মহেশের ভাই এই সন্দেহের কথা পুলিশকে জানান। বলেন, ওই বাড়ির তল্লাশি চালানো হলে ভাইয়ের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। 

এরপর প্রমিলার বাড়ির তল্লাশি চালায়। ঘরে কোনও প্রমাণ দেখতে না পাওয়া গেলে, দেখা যায় রান্না ঘরের মেঝে কোপানো। পুলিশকে প্রমিলা জানায়, সেখানে সে বাগান করতে চায় বলে রান্না ঘরের মেঝে খুলে রেখেছে। এরপরেই  পুলিশ রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়লে মহেশের মৃতদেহ দেখতে পাওয়া যায়।  পুলিশি জেরায় প্রমিলা স্বীকার করেছেন, তিনি তাঁর স্বামীকে মেরে রান্নাঘরে পুঁতে রেখেছিলেন। সেখানেই তিনি গত একমাস ধরে রান্না করেছেন।  ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে গিয়েছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, কীভাবে নিজের স্বামীকে  মেরে রান্না ঘরে পুঁতে রেখে সেখানেই  গত একমাস ধরে রান্না করে এসেছেন।