পশ্চিমবঙ্গের নাম একবারও করেননি। কিন্তু বিহারের নির্বাচনে দারুণ জয় উদযাপনের মঞ্চ থেকেই বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন মোদী, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তার মধ্যে রাজনৈতিক খুনের বিষয়ে একেবারে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই হুশিয়ারি দিলেন বলে প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিন বিহার জয়ের মঞ্চে নরেন্দ্র মোদী জানান, রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি সরকার যে উন্নয়নমুখী সরকার উপহার দিচ্ছে, তাই বিজেপির প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক উপায়ে বিজেপি-কে যারা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারছেন না, তাঁরা তাঁদের মনোবাসনা পূরণের জন্য বিজেপি কর্মীদের হত্যা শুরু করেছেন, বলে অভিযোগ করেন নরেন্দ্র মোদী। গত কয়েক মাস ধরেই বাংলায় একের পর এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়-ও। তবে এই মৃত্যুর রাজনীতি মানুষের মত জিততে পারবে না - এটাই দেওয়ালের লিখন বলে এদিন সতর্ক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শুধু তাই নয়, কাশ্মীর থেকে কন্নাকুমারী পর্যন্ত পরিবার-রাজনীতি ছেয়ে আছে বলে অভিযোগ করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেন গণতন্ত্র এবং পরিবার ভিত্তিক রাজনীতি একসঙ্গে চলতে পরে না। বিহারের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন ভারতের যুবরা জানে গণতন্ত্রের পক্ষে এই পরিবার-ভিত্তিক রাজনীতি অত্যন্ত হুমকির। এই আক্রমণ যতটা রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবকে লক্ষ্য করে, তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই আক্রমণের নিশানা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বাংলাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পারিবার ভিত্তিক রাজনীতি করছেন বলেই অভিযোগ বিজেপি-র।