প্রণব মুখোপাধ্যায়ের  কিডনির অবস্থার উন্নতি হয়েছে দিল্লির সেনা হাসপাতালের তরফে জানান হল বিবৃতি দিয়ে তবে এখনও গভীর কোমায় আচ্ছন্ন তিনি  তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণেরও চিকিত্‍সা চলছে

কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর শোনাল দিল্লির সেনা হাসপাতাল। ২০ দিন ধরে আর্মি রিসার্চ এন্ড রেফারাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। তবে আগের চেয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলেই শনিবার সকালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে দেশের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তাঁর রেনাল প্যারামিটারের উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে তিনি ভেন্টিলেটর সাপোর্টে কোমাচ্ছন্ন অবস্থাতেই রয়েছেন। তবে হার্টে রক্তচলাচল সংক্রান্ত বিষয় স্থিতিশীল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার সেনা হাসপাতালের তরফে প্রকাশিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, ‘‘প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা চলছে। তাঁর কিডনির অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। তবে তিনি গভীর কোমায় রয়েছেন। তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তাঁর শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্থিতিশীল।’’ প্রণব মুখোপাধ্যায়ের রক্তচাপ, হৃদপিণ্ড, পালস রেট স্থিতিশীল রয়েছে বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: পরপর ৪দিন দেশে দৈনিক মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল, করোনায় মোট আক্রান্ত ৩৪ লক্ষের গণ্ডি পেরোল

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা হেমোডায়নামিক্যালি স্টেবল বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকরা। কোনও রোগীর শারীরিক অবস্থা হেমোডায়নামিক্যালি স্টেবল কথার অর্থ, তাঁর শরীরে রক্ত সঞ্চালনের প্যারামিটার, অর্থাত্‍ রক্তচাপ, হার্ট এবং পালস রেট স্থিতিশীল এবং স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন: আশা জাগাচ্ছে ৪টি ভ্যাকসিন, ২০২১ সালের প্রথমেই ভারতের বাজারে আসছে প্রতিষেধক

তিন সপ্তাহ হতে চলল দিল্লির সেনা হাসপাতালে ভর্তি প্রণব মুখোপাধ্যায়। গত ৯ অগস্ট বাড়ির শৌচাগারে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান তিনি। তার পর স্নায়ুঘটিত সমস্যা দেখা দেওয়ায়, গত ১০ অগস্ট তাঁকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় তাঁর কোভিড-১৯ সংক্রমণও ধরা পড়ে। মস্তিষ্কের একটা ক্লট সরাতে সেদিনই তাঁর ব্রেন সার্জারি করা হয়। তারপর থেকেই কোমাতে রয়েছেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছিল, ফুসফুসে সংক্রমণের কারণেই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।