Prayagraj Shocker: পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বেআইনি সারোগেসি চক্রে ফাঁসিয়ে ওই নাবালিকার ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় আইফোন ও ১৫ হাজার টাকা সে পাবে। কিন্তু কমলকে মাত্র মাত্র ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

Prayagraj Shocker: উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে চাঞ্চল্যকর ঘটানা। প্রয়াগরাজের নবাবগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ঘিরে সামনে এল ভয়াবহ অভিযোগ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বেআইনি সারোগেসি চক্রে ফাঁসিয়ে ওই নাবালিকার ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত এক মহিলার নাম জোয়া ওরফে জয়া। কমলের মা শালিনী (নাম পরিবর্তিত), যিনি পেশায় গৃহবধূ ও বিধবা, গত ১৫ জানুয়ারি মেয়ের নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ২১ জানুয়ারি সিভিল লাইন্স এলাকার একটি আইভিএফ (IVF) কেন্দ্রে কমলকে ভর্তি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, ১৬ জানুয়ারিই তার ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়েছিল।

ঋতুস্রাব বন্ধ রাখতে করা হয় যে কাজ

অভিযোগ, জোয়া 'ছোট অপারেশন'-এর কথা বলে কমলকে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখান। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় আইফোন ও ১৫ হাজার টাকা সে পাবে। কিন্তু কমলকে মাত্র মাত্র ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। প্রতিশ্রুতি ভেঙে আইফোন তাকে দেওয়া হয়নি। ডিম্বাণু সংগ্রহের আগে তার ঋতুস্রাব বন্ধ রাখতে হরমোনাল ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং একাধিকবার তাকে ওই IVF সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর ১৬ জানুয়ারি ফের নিখোঁজ হয় কমল। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে খুঁজে পায় পুলিশ। শিশুকল্যাণ কমিটি (CWC)-তে তার জবানবন্দি নথিভুক্ত করা হয়। মানসিক প্রভাব ও প্রলোভনের কথা মাথায় রেখে তাকে ওয়ান-স্টপ শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে।

কোন কোন দিক নিয়ে তদন্ত চলছে

প্রয়াগরাজের পুলিশ মূলত তিনটি দিক থেকে তদন্ত চালাচ্ছে। সেগুলি হল, ১) গত এক বছরে কতজন নাবালিকার সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছে, ২) এর সঙ্গে যৌন শোষণ চক্রের যোগ রয়েছে কি না, ৩) মানসিক প্রভাব খাটিয়ে ধর্মান্তরণের চেষ্টা হয়েছে কি না। তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, গত বছরে ২০ থেকে ২৫ জন নাবালিকার ডিম্বাণু একইভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে। IVF সেন্টারগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নাবালিকার ক্ষেত্রে চিকিৎসা ও আইনি বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক কেন্দ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।