নির্ভয়াকাণ্ডের আসামি বিনয় শর্মার প্রাণভিক্ষার আবেদন-ও খারিজ করে দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ। শুক্রবারই দিল্লির একটি আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য এই মামলার সকল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ফাঁসি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। তিহার কারাগারে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টাতেই, মুকেশ সিং (৩২), পবন গুপ্তা (২৫), বিনয় শর্মা (২৬) এবং অক্ষয় (৩১)-এর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

আইনের ফাঁক গলে এই নিয়ে দুইবার পিছিয়ে গেল ফাঁসি। দুটি আইন-কে আসামিরা বারবার তাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে - ১, রাষ্ট্রপতির দ্বারা প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ হওয়ার পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ১৪ দিনের সময় পাওয়া উচিত, এবং ২, একই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত হলে কোনও ব্যক্তিকে আলাদাভাবে ফাঁসি দেওয়া যাবে না। এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে দেখে নেওযা যাক এই চার আসামি সর্বোচ্চ কতদিন তাদের পরিণতি পিছিয়ে দিতে পারে -

১ ফেব্রুয়ারি: রাষ্ট্রপতির বিনয়ের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করলেন। অর্থাৎ ফাঁসির আগে তার প্রাপ্য ১৪ দিনের সময়সীমা শেষ হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি।

১৪ ফেব্রুয়ারি: বিনয়ের ১৪ দিনের ত্রাণের মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে অক্ষয় প্রাণভিক্ষার আবেদন জানাতে পারে।

২০ ফেব্রুয়ারি: রাষ্ট্রপতির অক্ষয়ের প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। তারপর তার ১৪ দিনের সময়সীমা শেষ হবে ৬ মার্চ। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে পবন কিউরেটিভ পিটিশন দাখিল করতে পারে, যাতে অক্ষয়ের ১৪ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার একদিন আগে, অর্থাৎ ৫ মার্চ সে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করতে পারে।

৪ মার্চ: পবন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন দায়ের করতে পারে, যা নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে ১০ মার্চের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফলে পবন তারপরে ২৪ মার্চ পর্যন্ত সময় পাবে।

২৪ শে মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল: তারা প্রাণভিক্ষার আবেদন প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তকে শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।

৪ এপ্রিল: এই তারিখের পর যে কোনও দিন চার আসামিকে ফাঁসি দেওয়া যেতে পারে।