করোনাভাইরাসের এই মারাত্মক সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশই তাকিয়ে রয়েছে প্রতিষেধকের দিকে। ভারত বায়োটেকসহ একাধিক সংস্থা মনোনিবেশ করে প্রতিষেধক আবিষ্কারের কাজে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে। করোনা মোকাবিলায় কোনও প্রতিষেধককে হাতিয়ার করা হবে তা এখনও ঠিক করা হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি তা নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু করোনা প্রতিষেধক সংগ্রহ ও সরবরাহের কোনও দায়িত্বই থাকবে না রাজ্যের হাতে। প্রতিটি বিষয় কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। 

বুধবার প্রতিষেধক বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল জানিয়েছে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যাতে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক পৌঁছে যায়, পাশাপাশি প্রতিষেধক সরবরাহে যাতে কোনও রকম বৈষম্য না দেখা দেয় তারজন্য সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে থাকবে। 

বিশেষজ্ঞদের প্যানেল জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই প্রতিষেধক বাছাই করার জন্য বেশ কয়েকটি মানদণ্ড নির্ধারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক সংগ্রহের জন্য আর্থিক সংস্থান আর অর্থায়নের বিভিন্ন বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা করা হবে। 

কোভ্যাক্সিন প্রথম দফার ফলাফলে নজর রাখুন, সেপ্টেম্বর থেকেই দ্বিতীয় পর্যায়ের মানবিক ট্রায়াল শুরু

স্বাধীনতার প্রাককালে ভারতবাসীকে অভিনন্দন 'সিঙ্গারা' প্রধানমন্ত্রীর, দুই দেশের সম্পর্কের ওপর জোর ...

জোর দেওয়া হয়েছে প্রতিষেধকের বিতরণ ও সংরক্ষণের সময় কোল্ড চেইন রক্ষণাবেক্ষণের ওপর। প্রতিষেধকের সরবরাহ যাতে স্বচ্ছ হয় তার জন্য সচেতনতা মূলক বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ প্যানেল। দেশের তৈরি প্রতিষেধক আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে সরবরাহ করা হবে। দ্রুত উৎপাদনের জন্য বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলা হতে পারে। 
  লালগ্রহের ছবিতে কী রয়েছে, নাসার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে নেটিজেনদের মধ্যে ..
মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য় মন্ত্রক প্রতিষেধক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জ্ন্য ন্যাশানাল এক্সপার্ট গ্রুপ অব ভ্যাক্সিন অ্য়াডমিনিস্ট্রেশন নামে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। বুধবারই সেই কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসে প্রতিষেধক সরবরাহসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।