২০১৪ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই দেখা গিয়েছিলে সোশ্যাল মিডিয়ার রীতিমত সক্রিয় ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর আসন দখলের পরেও তাঁর সেই সক্রিয়তা বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বেড়েছে বলা যেতেই পারে। নেটিজেনদের কাছে যথেষ্ট জনপ্রিয় নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু গত কয়েক দিনে কিছুটা হলেও বদলে গেছে ছবিটা। সোশ্যাল মিডিয়া তাঁকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী। আর ছবি বেশি দিনের পুরনো নয়। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দোশরা অক্টরের মধ্যে নরেন্দ্র মোদীর তুলনায়  রাহুল গান্ধীর ফেসবুক পেজে এনগেজমেন্ট বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। 

ফেসবুক অ্যানালিটিকস এর থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই মূল্যায়ন করেছে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীর পোস্টগুলিতে ১৩.৯ মিলিয়ন এনগেজমেন্ট দেখা গেছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে রাহুল গান্ধীর ফেসবুক পেজের সঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভারতীয় জনতা পার্টি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়রা আর কংগ্রেসের দলীয় ফেসবুক পেজের। তবে এখনও পর্যন্ত দেশে সোশ্য়াল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষ পদেই আসীন রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর অনুগামীর সংখ্য়া ৪৫.৯ মিলিয়ন। আর সেখানের রাহুলের অনুগামীর সংখ্যা মাত্র ৩.৫ মিলিয়ন। কংগ্রেসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত সপ্তাহে রাহুলের ফেসবুক পেজে এনজেমেন্ট ছিল ৮.৪ মিলিয়ন। 


কংগ্রেসের তরফে জানান হয়েছে হাথরসে ১৯ বছরের দলিত নির্যাতিতা কন্যাকে গণধর্ষণ, হত্যার পর পরিবারের অনুমতি ছাড়া পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ঘটনায় রীতিমত সরব হয়েছিলে কংগ্রেস নেতা। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখাও করতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে একটি পোস্ট করেন। সেটিতে সোমবার সকাল পর্যন্ত সাড়ে ৪ লক্ষেরও বেশি লাইক পড়েছে।