প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হিমাচল প্রদেশের একাংশ। মানালি-লে  এবং মানালি-স্পিতি হাইওয়ে-এর একাধিক জায়গায় বৃষ্টির জেরে ধস নেমে কার্যত অবরুদ্ধ রাস্তাঘাট। আর তার জেরেই সারিবদ্ধভাবে রাস্তায় আটকে পড়েছেন প্রায় ২০০০ পর্যটক। সূত্রের খবর, সোমবার পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশে প্রায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। 

 

এদিন হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুর জানিয়েছেন বন্যার জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করতে তথা রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে আনতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।  তিনি আরও বলেছেন, হিমাচলের গুরুত্বপূর্ণ হাইওয়ে  যেমন- কালকা সিমলা হাইওয়ে, পাঠানকোট-মান্ডি-মানালি হাইওয়ে-এর ওপর থেকে ধসের অংশ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরানো যায়, তারই চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার বিকেলে কুলু-মান্ডি হাইওয়ের একটি অংশ খুলে দেওয়া হয়েছিল, যেখান দিয়ে একদিক থেকে গাড়ি যাতায়াত করছিল বলে খবর। কিন্তু মান্ডি-চন্ডীগড় হাইওয়ে এখনও অবরুদ্ধ বলে খবর। 

 

 

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, লাহোল-এর শিশু এবং কোকসার এলাকার মাঝে আটকে রয়েছেন প্রায় ৪০০টি গাড়ি, যার ফলে কার্যত বন্দি হাজারেরও বেশি মানুষ। হোটেলে থাকা পর্যটকরা নিরাপদে থাকলেও যাঁরা গাড়িতে ছিলেন তাঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। অস্থায়ীভাবে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। খাদ্য ও পানীয়ের চরম অভাব দেখা দিয়েছে।