সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জন্মভূমি ফিরে পেয়েছেন রামলালা। কিন্তু কারা তৈরি করবেন মন্দির? আদালত সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে তিন মাসের মধ্য়ে একটি ট্রাস্ট গঠন করতে। কারা থাকবেন সেই ট্রাস্টে? কারা হবেন রামমন্দির নির্মাণের কারিগর? স্বরাষ্ট্র দপ্তরে এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এই ট্রাস্ট গঠনের ব্লুপ্রিন্ট একেবারে তৈরি বলে জানাচ্ছেন রাম জন্মভূমি ন্যাস-এর প্রধান মোহান্ত নৃত্য গোপাল দাস। তাঁর দাবি ট্রাস্টের প্রধান হোন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

তাঁর মতে রামমন্দির নির্মাণের ট্রাস্টের প্রধান হওয়ার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি যোগী। তবে তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্য়মন্ত্রী বলে নন, তাঁর যোগ্যতা রয়েছে গোরক্ষনাথ মন্দিরের মোহান্ত হিসেবে। গোরক্ষপুরের গোরক্ষনাথ মন্দিরের মোহান্ত হওয়ার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী গোরক্ষ পীঠেরও প্রধান। রামমন্দির আন্দোলনে এই পীঠের বড় ভূমিকা রয়েছে। আদিত্যনাথের গুরু মোহান্ত অবৈদ্যনাথও মন্দির আন্দোলনে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন।

আদিত্যনাথ ছাড়া ট্রাস্টের অন্যান্য সদস্য হিসেবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিভিন্ন নেতাকেই বেছেছেন ন্যাস প্রধান। তাঁর ব্লুপ্রিন্ট বলছে ট্রাস্টের অন্যান্য সদস্যরা হবেন ভিএইচপির সহ-সভাপতি চম্পাত রাই এবং ভিএইচপি কোষাধ্যক্ষ ওমপ্রকাশ সিংঘল। কোন মুসলিম সদস্যকে কী রাখা উটিত ট্রাস্টে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এড়িয়েই গিয়েছেন মোহান্ত নৃত্য গোপাল দাস।

রামমন্দির নির্মাণ পর্বে কি তাহলে ন্যাস-এর কোনও ভূমিকাই থাকবে না? মোহান্ত নৃত্য গোপালের দাবি প্রস্তাবিত ট্রাস্টে ন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। তবে সেই ভূমিকা কী হতে চলেছে তা বিশদে কিছু জানাতে চাননি তিনি। তাঁর উত্তরাধিকারী মোহান্ত কোমল নয়ন দাস অবশ্য বলছেন, রাম মন্দির নির্মাণের ট্রাস্টে যারাই সদস্য হোন না কেন ট্রাস্ট চলবে মোহান্ত নৃত্য গোপাল দাসের তত্ত্বাবধানেই।