মঙ্গলবার সংসদ চত্ত্বরে এক দারুণ রাজনৈতিক সৌজন্যের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। সংসদ ভবনের বাইরে ধরনারত বিরোধী দলের সাংসদদের চা খাওয়ান রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারপার্সন হরিবংশ। যার জন্য তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কিন্তু সেই চা-সৌজন্যও কৃষি বিল বিরোধিতার অস্ত্র হয়ে উঠল। আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং সেই চা ফিরিয়ে দিয়ে  প্রধানমন্ত্রীকে চাষীদের রুটি ফিরিয়ে দিতে বললেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রীকে একহাত নিয়ে সঞ্জয় সিং টুইট করে বলেন, তাঁরা তাঁদের চা-এর জন্য আন্দোলন রছেন না। তাঁদের আন্দোলন চাষীদের কল্যানের জন্য, যা মোদী সরকার কেড়ে নিয়েছে। বিনিতভাবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর চা ফিরিয়ে দিয়ে তার বদলে চাষীদের মুখের রুটি ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করেছেন।

কংগ্রেসের রাজ্যসভার পরিষদীয় দলনেতা গুলাম নবি আজাদ-ও চা-সৌজন্যে ভোলেননি। তিনি নির্বাসিত আট সাংসদকে অবিলম্বে সবায ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সভায় যা হয়েছে তা কেউই ভালোভাবে নেয়নি। জনগন চায় তাদের নেতানেত্রীদের কথা শোনা হোক। মাত্র ২-৩ মিনিটে কেউ তার বক্তব্য তুলে ধরতে পারে না।

গত সোমবার দুটি কৃষি বিল নিয়ে আলোচনার সময় রাজ্যসভায় তুমুল হট্টগোল শুরু হযেছিল। এরপরই সভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নাইডু আট জন সাংসদকে বিশৃঙ্খলার দায়ে এক সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করেন। এই নির্বাসিত সাংসদরা হলেন, ডেরেক ও ব্রায়ান, সঞ্জয় সিং, রাজু সাতভ, কে কে রাগেশ, রিপুন বোরা, দোলা সেন, সৈয়দ নাজির হুসেন এবং ইলামারান করিম।