বৃহস্পতিবার সকালে ভারতে মোট করোনাভাইরাস রোগীর সংখ্যা ১২ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। তারপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফের বলেছেন, ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত দেশকে করোনভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়াই করতে হবে। তারপরই ঝাড়খণ্ডে, মাস্ক না পরা, ছয় ফুটের শারীরির দূরত্ব না রাখা এবং প্রকাশ্য জায়গায় থুতু ফেলা ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে ঘোষণা করা হল।

বুধবার ঝাড়খণ্ডের রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঝাড়খন্ড সংক্রামক রোগ অধ্যাদেশ ২০২০-র প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছিল। এদিন তা ঘোষণা করা হল। এই আইনের আওতায় উপরে বলা বিধি গুলি মেনে চলার পাশাপাশি লকডাউন বিধি না মানলে সর্বোচ্চ ২ বছরের জেল এবং ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের জন্য সময়ে সময়ে রাজ্য সরকারের আদেশ লঙ্ঘনের জন্যও এই বিধান প্রযোজ্য হবে।

এতদিন ঝাড়খণ্ডে সংক্রামক রোগ সংক্রান্ত কোনও আইন ছিল না। এই আইনের ফলে এখন থেকে করোনা বিধি ভঙ্গকারীদের শাস্তি দেওয়া যাবে। রাজ্যপাল অনুমোদন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই আইন বলবৎ হবে রাজ্যে। একই সঙ্গে মন্ত্রীসভা রাজ্যের ক্রমবর্ধমান করোনা রোগীর সংখ্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন। রাজ্যে আরও কঠোরভাবে করোনা বিধি বলবৎ করার বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি মুখপাত্র। ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে শিথিলভাবে লকডাউন জারি করেছিল ঝাড়খণ্ড সরকার। মেয়াদ ফের বাড়ানো হবে কিনা সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

বৃহস্পকতিবার সকাল পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৬,৪৮৫। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩,৩৯৭ জন আর সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৩০২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ৩২৬ জন আর করোনা জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।