সুপ্রিম কোর্টের তার শবরীমালা মন্দিরে রজস্বলা মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের মাসের রায় পুনর্বিবেচনার মামলাটি বৃত্তরবেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছে। এতে রায়কে স্বাগত জানালেও সমাজকর্মী তথা আয়াপ্পান ভক্ত এবং ২০১৮ সালের রায়ের বিরোধী রাহুল এয়াশ্বর জানিয়েছেন, এদিনের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের আদেশের উপর স্থগিতাদেশ দেওযা হল কিনা, সেই সম্পর্কে কোনও স্পষ্টতা নেই।

রায় ঘোযণার পর তিনি বলেছেন, ভারত বহুমত এবং স্বাধীন বিশ্বাসের দেশ। তবে আর্টিকল ২৫ অনুযায়ী যে অধিকার রয়েছে তাতে হস্তক্ষেপ করা আদালতের উচিত নয়। তাঁর মতে বিশ্বাস কখনই ধর্মের ঊর্ধ্বে নয়। মন্দির বা গীর্জা - ধর্মস্থলগুলি জনসাধারণের উপাসনার জন্য বিশ্বাসীদের ব্যক্তিগত স্থান। সেখানকার আইন আদালত ঠিক করে দিতে পারে না।

তবে সুপ্রিম কোর্টের এদিনের রায় ইতিবাচক বলেই মনে হয়েছে তাঁর। স্থগিতাদেশ সম্পর্কে সুস্পষ্টটা না থাকলেও আগের রায়টি যে ভুল এবং তার যথার্থ পর্যালোচনা করা উচিত তা এই দিনের রায়ে প্রতিষ্টিত হয়েছে। কাজেই এটা আয়াপ্পান ভক্তদের জন্য বিশ্বাসীদের জন্য একটি দুর্দান্ত জয়।

এদিন এই অতি স্পর্শকাতর মামলার রায় নিয়ে ৩-২ ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টের ৫ বিচারকের বেঞ্চ। মামলাটি এবার ৭ বিচারকের বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়েছে।