Tata Consultancy Services: ভারতে তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অন্যতম নামী সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস। কিন্তু এই সংস্থার বিরুদ্ধেই গুরুতর অভিযোগ এনেছেন এক কর্মী। এই ঘটনা নিয়ে মহারাষ্ট্রের পুণেতে শোরগোল শুরু হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
বিশ্বজুড়ে কাজ করে টিসিএস
শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের শাখা রয়েছে। লক্ষাধিক কর্মী এই সংস্থায় কাজ করেন।

TCS Employee: বেতন না পেয়ে অফিসের বাইরে ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন এক কর্মী! সাধারণ কোনও সংস্থার কর্মী নন, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (Tata Consultancy Services) এক কর্মী বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) পুণেতে (Pune) টিসিএস-এর সহ্যাদ্রী পার্ক ক্যাম্পাসে (Sahyadri Park campus) অফিসের বাইরে ফুটপাতে শুয়ে থাকছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ভাইরাল। দেশজুড়ে এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই টিসিএস ম্যানেজমেন্টের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন। ফোরাম ফর আইটি এমপ্লয়িজের (The Forum For IT Employees) পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বেতন না পাওয়ায় এই যুবকের পক্ষে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে তিনি ২৯ জুলাই থেকে ফুটপাতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী কারণে এই কর্মীর বেতন বন্ধ?

এই ঘটনা নিয়ে টিসিএস-এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ‘এই কর্মী কারও অনুমতি না নিয়েই কামাই করছিলেন। এই কারণেই আমাদের সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই কর্মী আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। তিনি ফের বেতন পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। আমরা আপাতত তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেছি। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তাঁকে ন্যায্য ও গঠনমূলক পদ্ধতিতে সাহায্য করছি আমরা।’ কিন্তু ফোরাম ফর আইটি এমপ্লয়িজের দাবি, এই কর্মী ২৯ জুলাই ফের কাজে যোগ দেন। কিন্তু তিনি দেখতে পান, তাঁর বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর পক্ষে সরকারিভাবে কাজে যোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ৩০ জুলাই টিসিএস-এর এইচআর তাঁকে জানান, আশা করা হচ্ছে, ৩১ জুলাই তাঁর বেতন মিটিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এরপরেও বেতন দেওয়া হয়নি। এরপর ওই কর্মী এইচআর-কে জানান, তাঁর কাছে টাকা নেই। এই কারণে তিনি ফুটপাথে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

টিসিএস-এ কর্মী ছাঁটাই

গত মাসে টিসিএস-এর পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, ১২,০০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তি মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য আরও কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।