২০১৮ সালের ২০ মার্ট সুপ্রিম কোর্টই ১৯৮৯ সালের তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের উপর নির্যাতন প্রতিরোধী আইন বাতিল করেছিল। এরপর এই রায় পর্যালোচনার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। তার ভিত্তিতেই এদিন এর আগের রায়কে ফিরিয়ে নিল সুপ্রিম কোর্ট।

২০১৮ সালের আগে পর্যন্ত তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের উপর নির্যাতনের মামলায় সরাসরি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা যেত। কিন্তু সেই আইনের অপব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। তার ভিত্তিতেই ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি গ্রেফতারের ধারা বাতিল করে। বলা হয়, গ্রেফতারির আগে তদন্ত করতে হবে, এবং এফআইআর দায়ের করার আগে প্রাথমিক তদন্ত করতে হবে। মঙ্গলবার অবশ্য এই দুই নির্দেশই বাতিল করা হয়েছে।

এদিন আদালত বলেছে, সমাজে সমানাধিকার ও নাগরিক অধিকারের জন্য তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্তদের লড়াই এখনও শেষ হয়নি। আদালত মনে করছে, তারা এখনও বৈষম্যের শিকার। অস্পৃষ্যতাও পুরোপুরি দূর হয়নি। অনেক জায়গায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও পৌঁছায়নি।

এর আগে ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট ১৯৮৯ সালের আইন বাতিল করার পর দেশের বিভিন্ন এলাকার দলিতরা নরেন্দ্র মোদী সরাকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। তাঁদের ক্ষোভ ছিল আদালতে দলিত স্বার্থ রক্ষা করতে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা ছিল মোদাী সরকারের। এরপরই আদালতের রায়কে সংবিধানের পরিপন্থী বলে সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিল সরকার। তার ভিত্তিতেই এদিন আগের রায় ফিরিয়ে নিল সুপ্রিম কোর্ট।