কাউন্টডাউন শুরু করে দিতে পারেন। গত মার্চ মাস থেকেই বাড়িতে রয়েছে পড়ুয়ারা। প্রায় পাঁচ মাস পরে এবার হয়তো তারা মুক্তির স্বাদ পাবে। কারণ  আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে যেতে পারে স্কুল। তেমনই নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে করোনাভাইরাসের মহামারির সঙ্গে লড়াই করার জন্য একটি নতুন গাইডলাইনও জারি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্কুলের পডু়য়াদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম দফায় নবম শ্রেনি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পডুয়াদের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে হসেই স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর। 


স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি বা এসওপিগুলি হলঃ  
বিদ্যালয়গুলিকে কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে হতে হবে
কনটেনমেন্ট জোন থেকে শিক্ষক ও পড়ুয়ারা স্কুলে আসতে পারবে না
প্রথম দফায় ৯-১২ শ্রেণির ক্লাশ শুরু করা হবে
স্কুলের মধ্যে পড়ুয়া আর শিক্ষকদের জন্য মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক
ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি
নূন্যতম ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে পড়ুয়াদের মধ্যে 
নিয়মিত ব্যবধানে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া জরুরি
একই নিয়ম প্রযোজ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে
বাতিল করতে হবে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন
যেখানে সম্ভব অরোগ্যসেতু অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে
স্কুলের মধ্যে যত্রতত্র থুথু ফেলা যাবে না
টিচার্সরুম থেকে ক্যাফেটেরিয়া বা লাইব্রেরি সর্বত্রই নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে
প্রথম দিকে অ্যাসেম্বলি বা স্পোর্টস ইভেন্ট বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে


স্কুল খুললেও কঠোরভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর এখনই প্রাথমিক বা প্রাক প্রথমিক স্তরে স্কুল খোলার কোনও সম্ভাবনা নেই। আনলক ৪-এ দাঁড়িয়ে অনেকটাই শিথিল হচ্ছে বিধি নিষেধ। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার পথে হাঁটছে গোটা দেশ। এবার তালিকায় নতুন সংযোজন হল স্কুল। 
"