ইতিমধ্যে নিজের ভারত সফরের কথা মমতা বন্দ্যোপাধায়েকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন হাসিনা। সেই চিঠিতে লেখা, তিনি আগামী ৫ সেপ্টেমবর ভারতে আসছেন, এবং তিনি আশা করবেন এই সফরে তাঁর  বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হবে।  

প্রায় তিন বছর পর ফের ভারত সফরে শেখ হাসিনা। তাঁর এবারের সফরে হাসিনা-মমতা সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লি পৌঁছবে হাসিনার বিমান। ঢাকা সহ গোটা বাংলাদেশ চাইছে দিল্লিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গের বৈঠকে বসুক হাসিনা। আগেও পদ্মা সেতুর নির্মণকার্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়েও হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলন মমতা। ইতিমধ্যে নিজের ভারত সফরের কথা মমতা বন্দ্যোপাধায়েকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন হাসিনা। সেই চিঠিতে লেখা, তিনি আগামী ৫ সেপ্টেমবর ভারতে আসছেন, এবং তিনি আশা করবেন এই সফরে তাঁর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হবে। 
যদিও দিল্লি থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অফিসিয়ালি আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিক স্তরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না তা সরকারি কর্তারা জানেন না। 
ভারত সফর শেষ করে রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক রওনা দেবেন হাসিনা। সেখান থেকে ফিরে যাবেন বাংলাদেশ। ততদিনে বাংলাদেশের ঢুকে পড়বে নির্বাচনের হাওয়া। তার আগেই দেশে ফিরতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন১ সেপ্টেম্বর রাজ্য জুড়ে অফিসকাছারি বন্ধ? দুর্গাপুজোর স্বীকৃতিতে পদযাত্রার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর 


অপরদিকে এবারের ভারত সফর নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী হাসিনা। দিল্লি থেকে খালি হাতে ফিরতে নারাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। দিল্লি থেকে এমন কিছু নিয়ে ফিরতে চায় হাসিনা যা আওয়ামী লীগ সরকারকে ঘরোয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দেবে। ভারত-বাংলাদেশ তিস্তা চুক্তির রূপায়ণ নিয়ে বিশেষ আশাবাদী না হলেও এই চুক্তি যে বাংলাদেশ সরকার ঐকান্তিক, সেই বার্তা দেশবাসীকে দেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ আলোচনার ফলেও বেশ কিছুটা হলেও ফল মিলবে বলে জানা যাচ্ছে। মোটের উপর রাজনৈতিকদের একাংশের মতে হাসিনার ভারত সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাওয়ার সম্ভাবনা যে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

উল্লেখ্য, হাসিনা-মমতা সম্পর্ক যে কোনওদিনই বিশেষ তিক্ত ছিল না তার নজির অতীতে বহুবার পাওয়া গিয়েছে। এর আগেও পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় হাসিনাকে লেখা চিঠিতে মমতা বলেন, ‘আপনার সৌহার্দ্য এবং অভিনিবেশ আমায় মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশের মানুষ পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে একাত্ম বোধ করে।’

আরও পড়ুনএক ধাক্কায় ৩৮-৪০ টাকা বাড়ল জ্বালানির দাম, শ্রীলঙ্কার পথেই কি এগোচ্ছে বাংলাদেশ?