দ্রুত করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে যাতে আনা যায় তার উদ্যোগ নিয়েছেন বিল গেটস ও তাঁর স্ত্রী। তাঁর সংস্থা বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ভারতের প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটকে ১৫০ মিনিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই চুক্তির প্রধান শর্তই হল সেরাম নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলিতে ১০০ মিলিয়ন প্রতিষেধক সরবরাহ করার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। আর ভারতীয় টাকায় মাত্র ২২৫ টাকায় মিলবে করোনা প্রতিষেধক। 

করোনা প্রতিষেধক তৈরির জন্য আগে থেকেই আগে থেকেই অক্সোফোর্ড-অ্যাস্টোজেনকার সঙ্গে চিক্তিবদ্ধ ছিল সেরান ইন্সটিটিউ অব ইন্ডিয়া। এবার সংস্থাটি নোভাভ্যাক্সের সঙ্গেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। দুটি গবেষণা সংস্থার প্রতিষেধক যাতে দ্রুত তৈরি করা যায় আর তার দাম মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে রেখে তা যাতে বাজারে ছাড়া যায় তার জন্যই উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় এই সংস্থা। যদিও সংস্থাটি আগেই জানিয়েছে ভারতীয়রা সরকারি কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর তৈরি প্রতিষেধক বিনামূল্যে পাবেন। বিশ্বের বাকি দেশগুলিতে বিশেষত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে যাতে কম দামে প্রতিশেধক বিক্রি করা যায় তারজন্যই পাশে দাঁড়াচ্ছে বিল গেটসের সংস্থা। 


বিল গেটসের এই প্রচেষ্ঠার জড়িয়ে রয়েছে জিএভিআই নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।এই সংস্থাটি মূলত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশ গুলিতে প্রতিষেধক প্রয়োগের কর্মসূচি চালানই এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য।  প্রতিষেধক বিতরণের কাজটি কোভ্যাস্ক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। 

বেইরুটের ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর সরকার বিরোধী আন্দোলন, উত্তপ্ত লেবাননে একের পর এক বিক্ষোভের ডাক ...

পেশী নিয়ন্ত্রণে বারবার ব্য়র্থ ক্ষুদে গজরাজ, আর সেই ভিডিও ভাইরাল হল নেটদুনিয়ায়...

অন্যদিকে নোভাভ্যাক্সও   সেরাম ইন্সটিটিউটের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। যার ফলে বিশ্ব ব্যাঙ্কের নীতি অনুযায়ী যাঁরা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া তাঁদের জন্য প্রতিষেধক সরবরাহ করার একচেটিয়া অধিকার পাচ্ছে ভারতীয় সংস্থাটি। নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যাস্টোজেনিকার তৈরি প্রতিশেধক বিশ্বের ৫৭টি দেশ যেখানে জিএভিআই বা গাভি কাজ করে সেই দেশগুলি পৌঁছে যাবে ভারত থেকে। আর নোভ্যাস্কের প্রতিষেধের তৈরি প্রতিষেধকের প্রয়োগ সফল হলে ৯২টি দেশে তা পাওয়া যাবে। 

প্রকৃতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত 'ভগবানের দেশ', বৃষ্টি আর ভূমিধসে কেরলে নিখোঁজ বহু মানুষ

অক্সফোর্ডের আবিষ্কৃত করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই ১০০ মিলিয়ন ডরাল লগ্নি করেছে ভারতের প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক সংস্থা।