মঙ্গলবার ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকে ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে লেবাননের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার তার চরম আকার ধারন পরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ কর্মীরা। 

বেইরুটের রাষ্ট্রীয়  সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছিল। বিক্ষোভ প্রদর্শনের নামে চলছিল লুঠপাট। ভাঙচুর করা হয়েছে স্থানীয় দোকান ও ঘরবাড়িতে। পুলিশকে লক্ষ্য করে আগুনের গোলা ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। 

১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধে অশান্ত হয়েউঠেছিল লেবানন। তারপর এটাই প্রথম বড় হিংসাত্মক ঘটনা বলেও দাবি করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। 

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সামিল 'আশা' কর্মীরা, করোনা লড়াইয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ..

পেশী নিয়ন্ত্রণে বারবার ব্য়র্থ ক্ষুদে গজরাজ, আর সেই ভিডিও ভাইরাল হল নেটদুনিয়ায়...

অন্যদিকে ফ্রান্সের অধীনে লেবাননকে রাখার আর্জি দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু এই পিটিশনের বিরুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি বেইরুট গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আলোচনা করেন আধিকারিকদের সঙ্গে। শনিবার লেবাননের বাসিন্দারা সরকার বিরোধী একটি বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। 

'চাকরি প্রার্থীর পরিবর্তে চাকরিদাতা তৈরি করাই উদ্দেশ্য', জাতীয় শিক্ষানীতি প্রসঙ্গে মন্তব্য মোদীর ...

মঙ্গলবর বেইরুটের বিস্ফোরণে প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েচে। ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। লেবাননের রাজধানী প্রায় তছনছ হয়েহেছে ভয়াবহ বিস্ফোরণে। এখনও চলছে উদ্ধার কাজ। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে ২০১৩ সাল থেকে ধীরে ধীরে  বেইরুটের একটি গুদামে ২৭৫০ টন বিস্ফোরক জমা করা হয়েছিল। আর সেই স্তূপাকৃত বিস্ফোরকেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।