প্রবল বর্ষণে নাকাল গুজরাতবাসী। বুধবার রাত পর্যন্ত চলতে থাকা বৃষ্টির জেরে কার্যত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে গুজরাতের ভাদোদরা। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে, প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন অন্তত ৬ জন। 

প্রবল বৃষ্টির জেরে কার্যত বাধ্য হয়েই বন্ধ করা হয় বিমান পরিষেবা। একাধিক ট্রেনের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে খবর। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা অর্থাৎ মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই  ৪৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ভাদোদরায়, যা কিনা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত বলেই মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে মাত্র চার ঘণ্টায় ২৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে  আগে থেকেই পূর্বাভাস জারি করা হয়েছিল যে, গুজরাতের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  আবহাওয়া দফতর সূত্রে, গুজরাত-মহারাষ্ট্র ও গোয়া উপকূলে ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া বওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এইসব উপকূলীয় এলাকায় মৎসজীবিদের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টির জেরে সেখানকার অধিকাংশ স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে খবর। 

 

এদিন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণির কথায়, ভাদোদরার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি রয়েছে। এর জন্য প্রশাসনিক বিভাগ এবং সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই উদ্ধারকার্য শুরু করে দেওয়া হয়েছে। গুজরাতের মতো ছবিই ফুটে উঠেছে পঞ্জাবেও।লুধিয়ানায় প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সেখানকার রাস্তা-ঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ে। স্তব্ধ হয়ে যায় জনজীবন।