ভারতীয় সেনার হাতে আসছে ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল, ঘুম উড়বে শত্রুদের
ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রচলিত (কনভেনশনাল) সাবমেরিনের জন্য ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল (LACM) কেনার জন্য একটি RFI জারি করা হয়েছে।

এই ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইলের ব্যবহার কী?
LACM ভূমিতে থাকা কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নির্ভুলতার সাথে আক্রমণ করতে পারে। দূরবর্তী শত্রু ঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার এবং রাডার সিস্টেমকে কার্যকরভাবে লক্ষ্যবস্তু করা যেতে পারে।
RFI-তে উল্লিখিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা RFI-তে কিছু স্পষ্ট যোগ্যতার উল্লেখ করা হয়েছে।
* ক্যাপসুল সহ মিসাইলের ওজন ১,৫০০ কেজির কম হতে হবে
* আক্রমণের পরিসীমা সর্বনিম্ন ৫০ কিমি থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ কিমি পর্যন্ত হতে হবে
সমুদ্র থেকেই উৎক্ষেপণের ক্ষমতা
এই মিসাইলটি পেরিস্কোপ গভীরতা থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ, সাবমেরিন ১৫ মিটার থেকে ১০০ মিটার গভীরে থাকলেও মিসাইল উৎক্ষেপণ সম্ভব। স্বাভাবিক অবস্থায় সাবমেরিনের গতি ৬ নট এবং জরুরি অবস্থায় ৮ নট পর্যন্ত থাকলেও উৎক্ষেপণ করা যাবে।
ইলেকট্রনিক যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও কাজ করতে হবে
এই মিসাইল সিস্টেমকে চরম ইলেকট্রনিক যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও কাজ করতে সক্ষম হতে হবে। শত্রুরা জ্যামিং করলেও লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভৌগোলিক স্থানাঙ্কের ভিত্তিতে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করতে হবে।
ওয়ারহেড, অফসেট শর্তাবলী এবং দীর্ঘমেয়াদী আপগ্রেড
মিসাইলে উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড থাকবে। এটি একক ইউনিট বা সাব-মিউনিশন হতে পারে। ওয়ারহেডের নির্ভরযোগ্যতা ০.৯৯-এর বেশি হতে হবে। চুক্তির ৩০% অফসেট হিসেবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে।
