বহু পুরোনো দিনের ছবি, অনেকটাই অস্পষ্ট হয়ে এসেছে। তারপরেও সাদাকালো সেই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এক ভদ্রলোককে। পরণে সাধারণ গেঞ্জি ও ধুতি, কোলে একটি চিতাবাঘ শুয়ে। এঁর ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি জানালেন, এঁর কাছ থেকেই তিনি জীবনের পাঠ পেয়েছেন। এই ভদ্রলোক আর কেউ নন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাদু।

বৃহস্পতিবার দাদুর এই ছবিটি পোস্ট করে স্মৃতি ইরানি জানালেন, নাতনি হিসেবে তিনি দাদুর কাছে কৃতজ্ঞ। ১৯৮৯ সালের ১৯ মে তিনি পরলোক গমন করেন। তিনিই জীবনের যাবতীয় শিক্ষা দিয়েছিলেন স্মৃতিকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানান, কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে যেমন দাদুর অভাববোধ করেন, তেমনই খারাপ সময়েও দাদুর স্মৃতি মনে ভিড় করে আসে। আর এসবের মধ্যেই তিনি উপলব্ধি করেন দাদু কখনই তাঁকে ছেড়ে যাননি।

এখানেই থামেননি স্মৃতি। স্মৃতি-সরণি দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে জানিয়েছেন, আজ তিনি জীবনে যা কিছু করতে পেরেছেন তা দাদুর জন্যই। আবেগমথিত মন্ত্রী আরও বলেন, দাদু যেখানেই থাকুন, তাঁকে তিনি বলতে চান, তাঁর নাতনি হওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। দাদুই তাঁর শক্তি। ভালবাসা, কর্তব্য, ত্যাগ-এর মতো জীবনের সব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাই তিনি পেয়েছেন দাদুর কাছ থেকে।