বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার জন্য তাঁর সরকারী বাসভবণে উপস্থিত হয়েছেন সনিয়া গান্ধী। মঙ্গলবার সুষমা স্বরাজের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এইমসের বাইরেই ভিড় জমিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে আসা দলনেতা-নেত্রীরা। কেবলমাত্র গেরুয়া শিবিরই নয়, রাষ্ট্রের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে একইভাবে এগিয়ে এলেন বিরোধী দল নেতানেত্রীরাও। 

বুধবার বেলা এগারোটা পর্যন্ত সুষমা স্বরাজের মরদেহ রাখা হয় তাঁর দিল্লির বাসভবনে। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। তারই কিছুক্ষণ আগে সুষমা স্বরাজকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তাঁরা সুষমা স্বরাজের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করে তাঁদের সমবেদনা জানান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সুষমা স্বরাজের মরদেহ বিজেপি সদর দফতরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হবে। 

আরও পড়ুনঃ সুষমা স্বরাজকে শেষ বিদায় দেশের, বিকেল ৩টায় শেষকৃত্য

মঙ্গলবার রাত ১০টা নাগাদ প্রয়াত হন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই দেশ জুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। ২০১৬ সাল থেকেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এই সময় তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হলেও শরীর বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। নিজেকে রাজনীতির অলিন্দ থেকে সরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রীর পদ। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব লোকসভায় গ্রহণ হওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে টুইটও করেছিলেন তিনি। এর ঘণ্টাখানেক পরেই প্রবল হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। রাত ন'টা নাগাদ এইমস-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। সে সময়ও তাঁর চেতনা ফেরেনি। শেষমেশ রাত ১১টা নাগাদ এইমস থেকে সরকারিভাবে সুষমার প্রয়াণের খবর ঘোষণা করা হয়।