তিরিশ ঘণ্টা সময় দিয়েছে আদালত। কিন্তু তিরিশ মিনিটেই তাঁরা মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে দেবেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে এভাবেই বিজেপি-কে হুঁশিয়ারি দিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এনসিপি এবং শিবসেনার সঙ্গে মিলে মহারাষ্ট্রে জোট সরকার গঠন করবেন, সে বিষয় নিঃসংশয় কংগ্রেস সভানেত্রী। 

এ দিনই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মহারাষ্ট্রে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে দেবেন্দ্র ফড়নবীশ সরকারকে। শীর্ষ আদালতের এই রায়কে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছেন কংগ্রেস, এনসিপি এবং শিবসেনা নেতৃত্ব। কারণ সোমবারই মুম্বইয়ের একটি হোটেলে ১৬২ জন বিধায়ককে হাজির করিয়ে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছেন তারা। 

সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। টুইটারে তিনি লিখেছেন, 'গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক আদর্শগুলিকে তুলে ধরার জন্য সম্মানীয় সুপ্রিম কোর্টের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সংবিধান দিবসে এই রায় ভারত রত্ন বাবাসাহেব অম্বেদকরের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য।'

আদালতের এই রায়ের পরে টুইটারে ছোট্ট প্রতিক্রিয়াতেই নিজের উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন সোনিয়া। ছোট্ট টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, 'জয় মহারাষ্ট্র।' সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে হাতিয়ার করে বিজেপি- কে আক্রমণ করেছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধীও। 

টুইটারে তিনি লেখেন, 'অর্থ এবং পাওয়ারতন্ত্রের মোকাবিলা করার জন্য সংবিধানকে প্রণাম জানানোর পাশাপাশি  এটাও শপথ নিতে হবে যে সংবিধানে উল্লিখিত প্রতিটি মূল্যবোধকে অটুট রাখতে আমাদের লড়ে যেতে হবে।'

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে ভাঙলেও মচকাচ্ছে না বিজেপি শিবির। শীর্ষ আদালতের রায়ের পরেই তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের বাড়িতে সব বিধায়ককে নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের বিজেপি সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাটিল দাবি করেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে তাঁরা তৈরি। পাল্টা এনসিপি নেতা নবাব মালিক টুইটারে লিখেছেন, 'বিজেপি-র খেলা শেষ!'