দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। ইতিমধ্যে বিশ্বের প্রথম ১০টি করোনা আক্রান্ত দেশের তালিকায় নাম উঠে গিয়েছে ভারতের। দেশে লকডাউন করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় এবারের ঈদের খুশি অনেকটাই ম্লান এদেশে।

লকডাউনের ফলে প্রায় দুমাস কোনো উপার্জন নেই৷ তার উপর সামাজিক দূরত্বের বিধি। তাই এবারের খুশির ঈদ অনেকটাই অন্যরকম এদেশে। রমজানে ওবার বেরতে পারেননি কেউ, বাড়ি বসেই সারতে হয়েছে ইফতার। ঈদেশ সেইরকমই নির্দেশ দিয়েছেন দেশের মুসলিম ধর্মগুরুরা।

শনিবারই দিল্লির জামা মসজিদের শাহি ইমাম ঘোষণা করেথিলেন, ২৫ মে পালিত হবে ইদ উল ফিতর। ঘোষণা অনুযায়ী সোমবারই দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে ঈদ। প্রত্যেককে বাড়িতে থেকেই ঈদ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবার। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে আর্জি জানান হয়েছে যাতে প্রত্যেকে বাড়িতে থাকেন, কারও সঙ্গে হাত না মেলান ও কোলাকুলি না করেন। ঈদের জন্য জমানো টাকার অর্ধেকটাই দরিদ্রদের দান করার কথাও বলেছেন ধর্মগুরুরা।

সেই মত এদিন সকালে জামা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছিল। ইদের দিনের চিারচরিত ছবি উধাও ছিল মসজিদ চত্বর থেকে।

 

নিজের বাড়িতে বসেই ঈদ-উল-ফিতরের প্রার্থনা করেন কেন্দ্রের সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নকভি।

 

সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে ইদের নামাজ পাঠ করা হয়। 

 

দেশে চলছে চতুর্থ দফার লকডাউন। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চেন্নাইয়ের ওয়ালাজা মসজিদেও ঈদের চিরাচরিত ছবি উধাও ছিল। বন্ধ রাখা হয়েছিল মসজিদ। 

 

বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হুসেনকেও দেখা যায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়িতেই ঈদের নমাজ পাঠ করতে।

 

কর্ণাটকেও বন্ধ ছিল সমস্ত মসজিদ। ঘরেই সামাজির দূরত্ব বিধি মেনে নমাজ পাঠ করেন মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষজন। 

 

এিপুরার আগরতলাতেও বন্ধ ছিল বিখ্যাত গেদু মিঁঞার মসজিদ। 

 

এদিকে ঈদ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাষ্ট্রপতি রামনাম কোবিন্দ।