দেশের ধর্ম বিভাজন নিয়ে বিচারপতি যোশেফের আক্ষেপ, ‘আমরা কোথায় যাচ্ছি? এটা বেদনার!’ বিচারপতিদের বেঞ্চেরও বক্তব্য, ‘এটা ২১ শতক। ভগবানকে কোথায় নামাচ্ছি?’ 

ভারতে ঘৃণাপূর্ণ মন্তব্য নিয়ে এবার তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড পুলিশকে হেট স্পিচের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিতে হবে, কোনও ব্যক্তির ধর্মের বিচার করার দরকার নেই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেএম যোশেফ ও বিচারপতি ঋষিকেশ রায়ের বেঞ্চ সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একাধিক ঘৃণাসূচক মন্তব্য নিয়ে কার্যত উষ্মা প্রকাশ করেন। বিচারপতিদের আদেশ, অভিযুক্তদের ধর্ম দেখার দরকার নেই। এ নিয়ে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়টি রক্ষিত হয়। 

আদালতের তরফে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে পুলিশকে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিতে হবে। অভিযোগের জন্য অপেক্ষা না করেই পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্দেশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ওই ধরনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে জবাব দিতে হবে।

দেশের ধর্ম বিভাজন নিয়ে বিচারপতি যোশেফের আক্ষেপ, ‘আমরা কোথায় যাচ্ছি? এটা বেদনার!’ বিচারপতিদের বেঞ্চেরও বক্তব্য, ‘এটা ২১ শতক। ভগবানকে কোথায় নামাচ্ছি?’

বিচারপতি জানিয়েছেন, ধর্মনিরপেক্ষ একটি রাষ্ট্রে এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত শকিং। মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর নানাভাবে অত্যাচার নেমে আসছে এই অভিযোগ তুলে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছিলেন শাহিন আবদুল্লাহ।

সেই আবেদনে জানানো হয়েছিল মুসলিম ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে শাসকদল ঘৃণাসূচক মন্তব্য করছে। শারীরিকভাবেও হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে শাসকদল। এমনটাই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ২০২১ সালের ১৭ ও ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত ৯জন নেতা দিল্লি ও হরিদ্বার এলাকায় মুসলিমদের গণহারে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন-
প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, শহরের পাশাপাশি কালীপুজোর রাতে কি বিপদ জেলাগুলিতেও?
চাকরি দেওয়ার নাম করে একের পর এক এলাকাবাসীর টাকা লুট! কামারহাটিতে অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর, ক্ষুব্ধ মদন মিত্র
১০ চাকার লরি সজোরে ধাক্কা মেরে দিল পরিবহণমন্ত্রীর গাড়িতে! ডানকুনিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে স্নেহাশিস চক্রবর্তী