সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিল বাবরি মামলার  বিচারক সুরেন্দ্র কুমার যাদবের নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন। প্রাক্তন বিচারপতি নিরাপত্তা  আরও বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। কিন্তু সোমবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি আর এফ নরিম্যান, বিচাপতি নবীন সিনহা ও বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারির বেঞ্চ  জানিয়েছে, প্রাক্তন বিচারপতি এস কে যাদবের নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তাঁরা বিবেচনা করছেন না। আর সেই কারণেই সিবিআইএর প্রাক্তন বিচারপতি এসকে যাদবের নিরাপত্তার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।  গত ৩০ সেপ্টেম্বর  তিনি তাঁর কর্ম জীবনের শেষ দিনে ২৮ বছর পুরনো বাবরি মামলার রায়দান করেছিলেন। আর লালকৃষ্ণ আডবানিসহ হাইপ্রফোইল অভিযুক্তদের বেকুসুর খালাস করেন তিনি। 

দ্বিতীয় দফায় ভাগ্য পরীক্ষা তিন তারকা প্রার্থীর, বিহার বিধানসভা ভোটে না থেকেও আছেন কানহাইয়া কুমার ...

করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে আগামী বছর মাঝামাঝিতে , জানাল ভারত বায়োটেক ...

৬০ বছর বয়সী এসকে যাবদ, ২০১৫ সাল থেকেই বাবরি মামলার দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৯ সালে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শীর্ষ আদালত তাঁর বাবরি মামলার রায়দানের জন্যই তাঁর কর্মজীবনের সময় বাড়িয়ে দিয়েছিল। আর কর্মজীবনের শেষ দিনেই বাবরি মামলার রায়দান করেছিলেন তিনি। আর রায়দানে তিনি বলেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলেছিল। অভিযুক্ত নেতারা তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি বলেছিলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বত্তব্য দেওয়ার তেমন কোনও প্রমাণ জোগাড় করতে পারেনি তদন্তকারীরা। আর গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মামলার রায়দানের মাধ্যমে ২৮ বছর ধরে অভিযুক্তের তকমা নিয়ে ঘোরা লালকৃষ্ণ আডবানি, উমা ভারতী, মুরলী মনোহর যোশিসহ ৩২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দেন তিনি।


পয়লা সেপ্টেম্বর বাবরি মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। তারপর দিন থেকেই রায়দানের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন এসকে যাদব। আর রায়দানের সময় তিনি বলেছিলেন এই বাবরি ধ্বংসের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। লখনৌ-এ সিবিআই-এর বিশেষ আদালত বাবরি মামলার রায়দান করেছিল। তবে বেশ কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল তাঁর রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছিলে। কিন্তু রায়কে স্বাগত জানিয়েছিলেন বিজেপি।