ভারতসহ বিশ্বের একাধিক দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনও নিয়ন্ত্রণ আসেনি। দিনে দিনে বেড়েছেই চলছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মত ভারতের বাসিন্দারাও প্রতিষেধকের অপেক্ষায় রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আরও আশার কথা শোনাল ভারত বায়োটেক। হায়দরাবাদের এই সংস্থাটি জানিয়েছে সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় তাঁরা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে নিয়ে আসতে পারবে। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি সংশ্লিষ্ট সংস্থা অনুমোদন দেয় তাহলে  ২০২১ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাধারণ মানুষ হাতে পেতে পারেন দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন। 

ট্রায়াল চলছে
ভারত বায়োটেকের বিকাশ করা প্রতিশেধকের নাম কোভ্যাক্সিন। ইতিমধ্য়েই শুরু শেষ হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দিল্লির এইমস হাসপাতাল  ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেলারেল তৃতীয় পর্যায়ের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার ছাড়পত্র দিয়েছে। চলতি মাসেই শুরু হবে ট্রায়াল। কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব তাদের এথিক্স কমিটির কাছে জমা দেবে বলে সূত্রের খবর। আইসিএমআর, পুনের ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল রিসার্চ ও ভারতের বায়োটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই প্রতিষেধক। 

করোনা কি এবার কাবু করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানকে, ইতিমধ্যেই গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন তিনি ...

দ্বিতীয় দফায় ভাগ্য পরীক্ষা তিন তারকা প্রার্থীর, বিহার বিধানসভা ভোটে না থেকেও আছেন কানহাইয়া কুমার ...

সংস্থার বক্তব্য 
ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ১০-১২টি রাজ্যে ২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা করা হবেল প্রতিষেধক। গ্রহীতাদের জন্য দুটি ডোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তৃতীয় দফায় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ের সাফল্যের ওপরেই নির্ভর রয়েছে প্রতিষেধককে বাজারজাত করার চূড়ান্ত সময়সূচি। সংস্থার কর্তা সাই প্রসাদ জানিয়েছেন, যদি পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে শক্তিশালী পরীক্ষামূলক প্রমাণাদি, তথ্য ও কার্যকারিতা আর সুরক্ষা ডেটা পাওয়া তাহলে ২০২১ সালে মধ্যবর্তীয় সময় করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা হিসেবে দেওয়া হবে।