কংগ্রেস ও শিবসেনাকে চমক দিয়ে শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন  দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে দেখা গিয়েছিল এনসিপির বিধায়ক তথা শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারকে। যদিও বিজেপির সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করে আসছে এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়া।

সরকার গঠন নিয়ে বিজেপির পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে শিবসেনা, কংগ্রেস ও শরদ পাওয়ারের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। বিজেপি যেভাবে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতা দখল করেছে তা অসাংবিধানিক বলে অভিযোগ তাদের। সোমবার বিজেপি তথা সরকার পক্ষ ও শিবসেন-কংগ্রেস-এনসিপি জোটের যুক্তি, পাল্টা যুক্তি শুনেছে শীর্ষ আদালত। মহারাষ্ট্রের ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে মঙ্গলবার রায় জানাবে আদালত। 

এদিকে সোমবার শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেস জোটের প্রতি সৎ থাকার শপথ নিলেন ১৬২ জন বিধায়ক। সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ও এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের সামনে শপথবাক্য পাঠ করেন তাঁরা।

সন্ধে ৭টা নাগাদ ১৬২ জন বিধায়কের উপস্থিতিতে অখণ্ড সংসারেরই বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয় মুম্বইয়ের পাঁচতারা হোটেলে। সোমবার রাজ্যপালের কাঠে চিঠিও দিয়েছে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেস নেতৃত্ব। চিঠিতে তিন দলের জোটের কাছে সরকার গড়ার পর্যোজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।  আস্থা ভোটে ফড়নবীশ সরকার পরাজিত হলে শিবসেনা দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ার দাবি জানাতে পারবে। 

 

মঙ্গলবার সুপ্রিম রায় ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দেবেন্দ্র ফড়নবীশ সরকারকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে কিনা। দেবেন্দ্র ফড়নবীশের পক্ষে এনসিপির ৫৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে শুনানির শুরুতেই জানিয়েছিলেন আইনজীবীমুকুল রোহতগি।