অবশেষে শুক্রবার আছড়ে পড়েছে বিধ্বংসী সাইক্লোন ফণী। সকাল ৮ টা থেকে ওড়িশায় শুরু হয়েছে এর ধবংসলীলা। ওড়িশার ফণীর জেরে পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়ে গিয়েছে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। হাওয়া অফিসের মতে শুক্রবার রাতে বাংলায় আছড়ে পড়বে ফণী। 

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ওড়িশায় ঠিক কতটা ধ্বংসলীলা চালালো ফণী। আর এখন তার অবস্থাই বা কেমন- 

-শুক্রবার সকাল ৮টায় পুরীতে আছড়ে পড়ে বিধ্বংসী সাইক্লোন ফণী।

-১৭৫ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে ওড়িশায় ধ্বংসলীলা চালায় ফণী।

-ওড়িশার পুরী ও ভুবনেশ্বরের বেশ কিছু এলাকায় টেলিকমিউনিকেশন পরিষেবা ব্য়াহত হয়েছে।

- হাওয়া দফতর আগেই সর্তক করেছিল, ওড়িশায় ফণীর গতিবেগ বেড়ে ২৩০  কিলোমিটার র্পযন্ত হতে পারে। এছাড়া টানা ৪-৫ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাবে। 

-ওড়িশায় এই ঝড় ৫২টি শহর ও ১০,০০০ গ্রামের পথ অতিক্রম করেছে। 

-ফণী ওড়িশার মানুষের মনে ১৯৯৯ সালের র্ঘূণিঝড়ের আতঙ্ক ফিরিয়ে এনেছে। ২৭০-৩০০ কিলোমিটার বেগের সেই ঝড় প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়েছিল। 

- ফণীর জন্য়ই  বৃহস্পতিবার মাঝ রাত থেকে বন্ধ হয়েছে ওড়িশার বিজু পট্টনায়ক বিমানবন্দর। 

- ২০০-রও বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। পারাদ্বীপ, গোপালপুর ও র্ধম বন্দরের কাজর্কমও সর্ম্পূ বন্ধ রাখা হয়েছে। 

-স্কুল, কলেজ, দোকান-পাট ও অফিস সমস্ত নিরাপত্তার খাতিরে বন্ধ রাখা হয়েছে। 

সকাল ৮টা থেকে মন্দারমণি অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। দিঘা-শঙ্করপুর খালি করে র্পযটকদের সরানোর ব্য়বস্থা করা হচ্ছে। এসবিএসটিসি র্পযটকদের জন্য ৫০ টি বাসের ব্যবস্থা রেখেছে।  মৎস্য়জীবীদের সর্তক করা হয়েছে।

সকাল ১০টা নাগাদ কলকাতায়ও শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই বৃষ্টির পরিমাণ ক্রমশ বাড়বে। হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনারও বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি।  শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে।

প্রসঙ্গত, ফণীর জন্য় ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকছে নবান্নর কনন্ট্রোল রুম।