কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল - দুজনকেই ক্ষমা চাইতে হবে হিন্দু সমাজের কাছে। শুক্রবার দাবি জানালো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ভিএইচপি বলেছে, বজরং দল-এর বিষয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি ভুয়ো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তার ভিত্তিতে রাহুল গান্ধী যেভাবে ফেসবুকের নিন্দার আড়ালে বজরং দল-এর বদনাম করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তাতেই তাঁর হিন্দু বিরোধী মানসিকতা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে।"

বস্তুত, রাহুল গান্ধী একটি সংবাদ প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে টুইট করেছিলেন, ফেসবুক-ইউএস বলছে যে বজরঙ দলের সঙ্গে সম্পর্কিত কনটেন্ট সঠিক নয়। এটি নিষিদ্ধ করা উচিত। অথচ, ফেসবুক-ইন্ডিয়া সংসদীয় কমিটিকে বলছে, বজরং দলের বিষয়বস্তু আপত্তিজনক নয়। রাহুল প্রশ্ন তোলেন, 'ফেসবুক কি ভারত ও সংসদ-কে মিথ্যা বলছে?

এদিন ভিএইচপির সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পরান্দে বলেছেন, রাহুল গান্ধী সিএএ বিরোধী, দিল্লির দাঙ্গাকারী, চিন ও পাকিস্তানপন্থী টুকরে টুকরে গ্যাং-সহ অনেক দেশ-বিরোধীদের সংগঠনের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। আর চিনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা তো সবাই জানে। কাজেই তিনি বজরং দলের মতো একটি দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা জাতীয়তাবাদী যুব সংগঠন তাঁর চক্ষুশূল তো হবেই। এই জাতীয়তাবাদী সংগঠন-কে নয়, মার্কিন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকেই তিনি বিশ্বাস করবেন এটাই স্বাভাবিক।

ভিএইচপি জেনারেল সেক্রেটারি এই বিষয়ে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকেও ক্ষমা চাইতে বলেছেন। তিনি বলেন, এই মার্কিন সংবাদপত্র আসলে বজরঙ দল-কে সামনে রেখে ভারত অসম্মানিত করার স্পর্ধা দেখিয়েচে। এটা তাঁরা কিছুতেই মেনে নেবেন না। তিনি আরও বলেন, এর আগে ইউকিলিকস-এর মাধ্যমে জানা গিয়েছিল, সনিয়া গান্ধী বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার জন্য বেশ কয়েকবার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। কিন্তু, তিনি সফল হতে পারেননি। ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট ফেসবুক খারিজ করে দিয়েছে, এটাই রাহুল-সনিয়া হজম করতে পারছেন না। এতেই তাঁদের হিন্দু বিরোধী মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।