কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামান্য  আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। বৈঠকের প্রথম অর্ধ তেমন ফলপ্রসূ ছিল না। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আলোচনায় অনেকটাই অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক সংগঠন আজাদ কিশোর সংধর্য কমিটির প্রধান গরজিন্দর সিং চাড্ডা। তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাঁরা আশাবাদী। নতুন কৃষি আইনের ভুলগুলি কেন্দ্রীয় সরকার সংশোধন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কৃষকদের পরবর্তী বৈঠক শনিরাব বেলা ২টো নাগাদ। 

আজাদ সিং চাড্ডার কথায় কৃষকদের আন্দোলনের কাছে কিছুটা হলেও নতী স্বীকার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর মতে পরবর্তী সভায় চূড়ান্ত পরিণতি পাওয়া যেতে পারে। তবে আইন প্রত্যাবর্তনের বিষয় কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর কৃষক সংগঠনগুলি চাপ অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রের পাশ করা কৃষি আইন পুরোপুরি ভুল। আর তা প্রত্যাহার করতে হবে সরকারকে।

বৈঠকের পর অন্য এক কৃষক নেতা বলদেব সিং সিরসা জানিয়েছেন, নতুন কৃষি আইনের ভুলগুলি চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। কেন্দ্রীয় সরকার ত্রুটিগুলি স্বীকার করে নিয়েছে। সরকার ভুল সংশোধন করতে রাজি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁরা চাইছেন কেন্দ্রীয় সরকার নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহার করুক। কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁরা সরব থাকবেন বলেও জানিয়েছেন, বলদেব সিং সিরসা। 

অন্যদিকে কৃষকদের দিল্লি চলো অভিযানের ৮ম দিনে আন্দলোন অব্যাহত রয়েছে। এদিনও দিল্লি সীমানার সিংহু বর্ডার, গাজিপুর বর্ডারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ অবস্থান জোরদার করে কৃষকরা। নতুন করে আরও কৃষকরা যোগ দিয়েছে বলেও মনে করছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি হরিয়ানা সীমানা এলাকায় নেহাগ শিখ সম্প্রদায়ের একটি দল বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বেশ কয়েকটি জায়গায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারী চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।