বাজেট একটি ল্যান্ডমার্ক। আগামী দিনে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই বাজেট। রাজ্যসভায় বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করে এমনটাই দাবি করলেব বিজেপি সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর। তিনি আরও বলেন কেন্দ্রী বরাবরই বিরোধীদের গুরুত্ব দিয়ে আসছে বাজেট অধিবেশনে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। 

রাজ্য়সভায় বাজেট অধিবেশনে বলতে উঠে রাজীব চন্দ্রশেখর প্রথমেই ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বিরোধীদের তোলা অভিযোগখণ্ডন করেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে এই দেশ চলতে অর্থবর্ষে ১৮ লক্ষ খোটি টাকা ক্ষতি করেছে। যার সাসরি প্রভাব পড়েছে দেশীয় অর্থনীতিতে। করোনাভাইরাসের প্রভাব কোনও একটা দেশ বা রাজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এটির প্রভার সীমাবদ্ধও নয়। এটি ভারতের ক্ষেত্রে একটি চূড়ান্ত বিপর্যয় বলেও দাবি করেন রাজীব চন্দ্রশেখর। তিনি আরও বলেন চিনের দ্বারাও কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই মহামারির মধ্যেই গোটা দেশ আত্মনির্ভর হতে শুরু করেছে। যা আগামীদিনে লাভের আশা আরও বাড়িয়ে দেবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। 

রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন এই সময়ের বাজেটে বেকারিত্বের সমস্যা ও আর্থিক পুণরুদ্ধারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশকে করোনা মহামারির আগের অবস্থায় ফিরেয়ে আনার পতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। করোনা-কালে ভারত অনেকগুলি বিদেশী লগ্নি পেয়েছে। যা আগামীদিনে কেন্দ্রীয় সরকারকে আগামী দিনে নীতি নির্ধারণ করতে একটি ভালো জায়গা করে দেবে বলে মনে করেন তিনি। রাজীব চন্দ্র শেখর বলেন, এই সমস্ত পরিস্থিতি দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে ১১.৫০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখাচ্ছে। এদিন তাঁর বক্তৃতায় রাজীব চন্দ্রশেখর তুলে ধরেছেন কেন এই বাজেটকে তিনি মাইল স্টোন বলছেন। এই বাজেটে আর্থিক উন্নতির পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটে পরিকাঠামো, দারিদ্র দূরীকরণ সহ একাধিক গুরুত্ব বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। 

করোনাকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে আত্মনির্ভর তৈরি করতে চাইছেন। রাজীব চন্দ্রশেখরের দাবি প্রধানমন্ত্রীর এই পরদক্ষে আগামী দিনে মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোতকাবিলায় দেশকে অনেকটাই সহযোগিতা করবে। তিনি আরও বলেন বর্তমান ভারত অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন এই বাজেটই স্পষ্ট করে দেবে কোথা থেকে টাকা আসছে। আর কোথায় তা বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। দেশের অর্থনীতি আবারও গতি পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।