'নিচু জাত'- তাই নিত্যদিন বঞ্চনার শিকার হতে হত বিওয়াইএল নায়ার হাসপাতালের রেসিডেন্ট চিকিৎসক পায়েল তদভি-কে। তাঁর মায়ের দাবি, কেবলমাত্র নোংরা জাতিবিদ্বেষের শিকার হয়েই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বছর ২২-এর এই চিকিৎসক। পায়েলের এই মনে করিয়ে দেয় হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার কথা। অভিযোগ, উঠেছিল জাতিবিদ্বেষের শিকার হয়ে তিনিও আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন- নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে আত্মঘাতী অসমের এক বৃদ্ধ

পায়েলের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক অভিযুক্ত ভক্তি মেহর-সহ অন্য দুই চিকিৎসক হেমা আহুজা ও অঙ্কিতা খণ্ডেলওয়ালের বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসেবাদের পর ভক্তি মেহর-কে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, এবং গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয় ঘটনার আরও দুই অভিযুক্ত হেমা আহুজা ও অঙ্কিতা খণ্ডেলওয়ালে-কে। সূত্রের খবর, আজ তাদের পেশ করা হবে আদেলতে।

 

মহারাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশন অব রেসিডেন্ট ডক্টরস-এর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ভক্তি-সহ অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকেদের সদস্যপদ খারিজ করা হয়েছে। ঘটনাটিকে খতিয়ে দেখতে আরও গভীর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। এদিন পায়েল তদভি-র মৃত্যুর প্রতিবাদে বিওয়াইএল নায়ার হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন তাঁর মা ও স্বামী। বহু দলিত এবং আদিবাসী সংগঠন-এর পক্ষ থেকেও ওঠে প্রতিবাদের ঝড়। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবিতে এদিন মাঠে নেমেছিলেন তাঁরা।