সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন হলেও সেই বিষয়টিকে কিছুতেই হাই কোর্টের নির্দেশ অথবা শুনানির ক্ষেত্রে অজুহাত করা যাবে না। অর্থাৎ সন্দেশখালি কাণ্ডে এখন সিবিআই তদন্তই চলবে।

সন্দেশখালি মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। সম্প্রতি এই তদন্তের সূত্র ধরেই শেখ শাহজাহানের এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ভাণ্ডারের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই এই মামলা নিয়ে জোর টানাপোড়েন চলছে রাজ্য জুড়ে। এবার সন্দেশখালি মামলায় জোর ধাক্কা খেল রাজ্য। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন হলেও সেই বিষয়টিকে কিছুতেই হাই কোর্টের নির্দেশ অথবা শুনানির ক্ষেত্রে অজুহাত করা যাবে না। অর্থাৎ সন্দেশখালি কাণ্ডে এখন সিবিআই তদন্তই চলবে। সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলা হলেও হাই কোর্টের নির্দেশ অবমাননা করা যাবে না, কার্যত এই বার্তাই দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সব শোনার পর আদালত জানায়, আগামী জুলাই মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও সন্দেশখালি কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিশেষ স্বস্তি হল না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। জানা গিয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আগামী দু’সপ্তাহের জন্য শুনানি পিছনোর আর্জি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে যা শুনানিতে আগামী ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারে। এদিকে অভিষেকের এই আর্জির বিরোধিতা করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু। শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন এই বিষয়টিকে অজুহাত করে হাই কোর্টে মামলা প্রভাবিত করার চেষ্টা যেন না করা হয়, বলেন তুষার মেহতা এবং এসভি রাজু।

একথা স্পষ্ট যে যেমন তদন্ত সিবিআই করছিল তেমনই চলবে। সিবিআই তদন্ত বন্ধ হবে না। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এদিন আদালতে সওয়াল করেন অভিষেক মনু সিংভি। তিনি আদালতে জানিয়েছিলেন এই মামলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং নথি রাজ্য সরকারের কাছে রয়েছে। সেগুলি আদলতে পেশ করতে চায় রাজ্য সরকার। তারজন্য ২ সপ্তাহ সময় চান রাজ্যের আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি কেড়ে নেওয়া সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কাজেই প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই কোনওভাবেই এই তদন্ত এখন বন্ধ করা যাবে না। কাজেই হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল থাকবে।

চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।